বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেফমুবিপ্রবি) কোষাধ্যক্ষ পদে অবসরপ্রাপ্ত (পিআরএল) একজন অতিরিক্ত সচিবকে নিয়োগ দেয়ার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চুয়েট, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে এ নিয়োগের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতিতে শিক্ষক সমিতির নেতারা বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কোষাধ্যক্ষকে উপাচার্যের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যেতে হয়। একাডেমিক ব্যক্তি নন, এমন একজন কর্মকর্তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ প্রকৃতপক্ষে একটি ষড়যন্ত্রের অংশ, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম তথা বিশ্ববিদ্যালয় সার্বিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করবে বলে আমরা মনে করি।
তারা বলেন, বিতর্কিত এই নিয়োগ প্রদানের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার পাঁয়তারা করছে। এ ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ নিয়োগ শিক্ষক সমাজ ও জাতির জন্য হতাশাজনকও বটে।
অবিলম্বে এ নিয়োগ প্রত্যাহার করে একজন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদকে নিয়োগ দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানান এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর এর অনুমতিক্রমে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৭ এর ধারা ১৩(১) অনুযায়ী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পিআরএল ভোগরত) মোহাম্মদ আবদুল মান্নানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
