পরিবেশ নিয়ে কারও উদ্বিগ্ন হওয়ার সুযোগ নেই : কাদের

আপডেট : ০৯ মে ২০২১, ০৬:৪৩ এএম

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পরিবেশ নিয়ে কারও উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। সরকার এ ব্যাপারে যথেষ্ট সজাগ ও সচেতন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আন্তর্জাতিক স্মৃতিকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে জলাধার ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিকল্পিতভাবে নেওয়া আছে। গতকাল শনিবার জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার বাসভবন থেকে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সারেন্ডার করার জায়গা দর্শনীয় করে তোলার জন্য প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। যেখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ইতিহাসের কথা জানতে পারবে। সেই কাজগুলোকে আজ প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রেসকোর্স ময়দানে প্রথম গাছ লাগিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এটিকে উদ্যান হিসেবে সৃষ্টি করার উদ্যোগ তিনি প্রথম শুরু করেছিলেন। ৭ মার্চের ভাষণের স্থান ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সারেন্ডার করার স্মৃতি মুছে ফেলার জন্য জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে রাষ্ট্রপতি হয়ে এই উদ্যানের অধিকাংশ জায়গা জুড়ে শিশুপার্ক করেছিল। পরিবেশবাদীরা তখন প্রশ্ন তোলেননি কেন? কারও মুখে একটা কথাও সেদিন আমরা শুনতে পাইনি। সৌন্দর্য বর্ধনের নামে এই ঢাকা শহরে রাস্তার পাশ থেকে কত সুন্দর সুন্দর গাছ কেটে ফেলা হয়েছিল, উজাড় করে ফেলা হয়েছিল এই নগরীর সৌন্দর্য। তখন কিন্তু তারা প্রশ্ন তোলেননি।’

গত কয়দিনে ফেরিঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উদাসীনতা লক্ষ্য করা গেছে, শপিং মল মার্কেটগুলোতেও একই অবস্থা। এ ধরনের পরিস্থিতি গত কয়দিনে করোনা সংক্রমণ হারের যে নিম্নমুখী প্রবণতা সেটাকে আবারও বাড়িয়ে দিতে পারে। আমাদের মনে রাখতে হবে, আগে জীবন পরে জীবিকা। এই মুহূর্তে বেঁচে থাকাটাই জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘বেঁচে থাকলে ভবিষ্যতে অনেক আনন্দ উৎসব করা যাবে, কাজেই এবার অন্তত সকলে মিলে ত্যাগ স্বীকার করলে কিছু আসবে যাবে না।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে যার যার অবস্থানে থেকে ঈদ উদযাপন করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যেভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে করোনা রোগী বাড়ছিল আজকে তা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আমি সবাইকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে বলব। লকডাউন সবসময় থাকবে না। এই অবস্থারও অবসান হবে, আপনারা যদি সহযোগিতা করেন। আমি সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাচ্ছি।’ বিআরটিসিকে লাভের ধারায় ফিরে আসতে হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বারবার লোকসানের কথা আর শুনতে চাই না।’ বিআরটিসির কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত