সংক্রমণঝুঁকি নিয়েও মার্কেটে ক্রেতার ঢল

আপডেট : ০৯ মে ২০২১, ০৬:৪৬ এএম

ঈদের বাকি আর মাত্র চার-পাঁচ দিন। এরই মধ্যে মার্কেটগুলোয় জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ‘কঠোর বিধিনিষেধের’ মধ্যেই রাজধানীর শপিং মল-বিপণিবিতানগুলোয় ক্রেতাদের সমাগম বেড়েই চলেছে। সকালের দিকে বেচাকেনা কম থাকলেও বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন ক্রেতারা। এ ঘটনায় বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণিবিতানের সামনে তীব্র যানজটও দেখা যায়। সরকার ঘোষিত সামাজিক দূরত্ব না মানলেও মুখে মাস্ক পরে মার্কেটে আসছেন ক্রেতারা। এদিকে ক্রেতাদের সমাগম বাড়ায় বেচাবিক্রিও ভালো হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা। গতকাল শনিবার এলিফ্যান্ট রোড ও কলাবাগান-মিরপুর রোডের বিভিন্ন মার্কেট সরেজমিন ঘুরে ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বেচাকেনা হচ্ছে এখন ফুটপাত ও ছোট মার্কেটগুলোতে। বড় শপিং মলগুলোতে তেমনটা বেচাকেনা হচ্ছে না। তবে সব রকম স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা দোকান পরিচালনা করছি।’ সামনে আরও বেচাকেনা বাড়তে পারে বলে জানান এই ব্যবসায়ী নেতা।     

এদিকে পুরান ঢাকার শপিং মল ও বিপণিবিতানে বেচাকেনা বেড়েছে। যদিও ইসলামপুরের পাইকারি মার্কেটে এখন তেমনটা বেচাকেনা নেই। তবে ফুটপাতে উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। সেখানকার ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘আন্তঃজেলা বাস চলাচল না করায় বিভিন্ন জেলা থেকে ইসলামপুরে পাইকারি মালামাল নিতে আসতে পারছেন না ক্রেতারা। যার ফলে পুরান ঢাকার খুচরা বিপণিবিতানগুলোতে এখন বেচাকেনা থাকলেও ইসলামপুরে নেই।’

ইসলামপুরের ব্যবসায়ী মো. নাদিম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এখানে পাইকারি বেচাকেনা এখন আরও কমেছে। দোকান খোলার প্রথম কয়েক দিন এখানে বেচাকেনা কিছুটা হয়েছে। তবে আন্তঃজেলার বাস না খুলে আমাদের মার্কেট খোলা তেমনটা সুবিধা হয়নি।’

দানেশ নামে এক ক্রেতা পাইকারি থ্রিপিস কিনতে এসেছেন ইসলামপুর একরাম উদ্দীন প্লাজার আশা মেচিন কর্নারে। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘মিরপুরে ছোট একটি দোকানে আমার জামাকাপড়ের ব্যবসা আছে। ঈদের আর বেশি দিন নেই। তাই আজই (গতকাল) শেষ মালামাল কিনতে এলাম এই মার্কেটে।’ তবে আগের থেকে দাম কিছুটা বেড়েছে বলে জানান এই ক্রেতা।

ইসলামপুরের নবাব বাড়ির ফুটপাতের পোশাক বিক্রেতা নাহিয়ান বলেন, ‘ইসলামপুরের বড় মার্কেটগুলোতে খুচরা তেমনটা বিক্রি হচ্ছে না। তাই যারা একটু কম দামে ভালো জিনিস কিনতে চাচ্ছেন, তারাই এই ফুটপাতে আসছে কেনাকাটা করতে। তাই ফুটপাতে বেচাকেনা বাড়ছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত