শিশু-কিশোরদের টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা পিছিয়ে আগে গরিব দেশগুলোকে টিকা সরবরাহ করতে ধনী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। গত শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে এ আহ্বান জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়াসিস।
উন্নত দেশগুলোতে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের ফলে গরিব দেশগুলোর টিকাদান কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও মন্তব্য করেন গেব্রিয়াসিস।
তিনি বলেন, কিছু দেশ কেন শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের টিকা দিতে চাইছেÑসেটি আমি অনুধাবন করতে পারছি। কিন্তু নিম্ন ও নিম্নমধ্যম আয়ের দেশগুলোয় স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়ার মতো যথেষ্ট পরিমাণ টিকা নেই। এসব দেশের হাসপাতালগুলোতেও সুরক্ষা সরঞ্জামের অভাব রয়েছে। ফলে ধনী দেশগুলোর এখন বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।
করোনা ছড়িয়ে পড়ার এক বছরের মাথায় ২০২০ সালের ডিসেম্বরে প্রথমবারের মতো এর টিকা অনুমোদন পায়। তবে এসব টিকার বেশিরভাগই কিনে নেয় ধনী দেশগুলো। গরিব দেশগুলো পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন না পেলেও সরবরাহ মজুদ করতে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো।
সম্প্রতি ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের ফাইজারের টিকা প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বলছে, মহামারী মোকাবিলায় এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। এফডিএ কমিশনার ডা. জ্যানেট উডকক বলেছেন, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য স্বাভাবিক পরিস্থিতির কাছাকাছি যাওয়ার অনুভূতি তৈরি করা এবং মহামারীর অবসান।
