সিটি স্ক্যান করাতে খালেদা জিয়াকে দুদিনের জন্য হাসপাতালে রাখার সিদ্ধান্ত হলেও কেটে গেছে ২০ দিন। কবে নাগাদ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন তিনি তা এখনো বলতে পারছেন না তার চিকিৎসকরা। তবে গতকাল রবিবার তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তাকে দেখতে গিয়েছিলেন। শ্বাসকষ্টসহ কভিড-পরবর্তী অন্যান্য জটিলতা কমেছে।
অন্যদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, ‘ম্যাডামের শারীরিক অবস্থার ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে।’
খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের এক চিকিৎসক গতকাল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তার এখন আর অক্সিজেন সাপোর্ট লাগছে না।’
তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া এখনো সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সিসিইউতে থাকা রোগীর শারীরিক অবস্থা কেমন, সেটা সবারই জানার কথা। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা ইমপ্রুভ হচ্ছে। অক্সিজেন সাপোর্ট লাগছে না। ম্যাডামের শারীরিক যে সমস্যাগুলো আছে, ডাক্তাররা খুব নিবিড়ভাবে তা পর্যবেক্ষণ করছেন। তবে পোস্ট কভিড রোগীর শারীরিক অবস্থা যেকোনো সময় খারাপ হতে পারে। এক কথায় বলা যায় আনপ্রেডিকটেবল।’
রাজধানীর এয়ারকেয়ার হাসপাতালে গত ২৭ এপ্রিল থেকে চিকিৎসাধীন আছেন খালেদা জিয়া। তিনি বর্তমানে করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।
