বরিশাল বিভাগে করোনা প্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন এমন প্রায় ৭০ হাজার মানুষ উদ্বেগে রয়েছেন। এখনো দ্বিতীয় ডোজ না আসায় তারা সরকারি টিকাকেন্দ্রে গিয়ে ভিড় করছেন। তবে সেখানে কাউকে না পেয়ে তারা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
এদিকে প্রথম ডোজ নেওয়া প্রবাসীরা দ্বিতীয় ডোজ ও প্রত্যয়নপত্র না পাওয়ায় বিদেশে যেতে পারছেন না। তারা দ্বিতীয় ডোজ পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বরিশাল বিভাগের ছয় জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ২ লাখ ৫০ হাজার ৩০৩ জন। এদের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ সম্পন্ন হয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৮ জনের। সে হিসাবে প্রথম ডোজ নেওয়ার পর দ্বিতীয় ডোজ নেননি ৮৩ হাজার ১৩৫ জন।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, টিকা সংকটের কারণে বরিশাল নগরীর তিনটি টিকাকেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে টিকার দ্বিতীয় এবং প্রথম ডোজ দেওয়া।
বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে সারা দেশে একই অবস্থা বিরাজ করছে। বরিশাল বিভাগে ১ হাজার ৩৬৫টি ভায়াল মজুদ রয়েছে। এই ভায়াল দিয়ে ১৩ হাজার ৬৫০ জনকে টিকা দেওয়া যাবে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
