রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে ছিনতাইকারী ও পকেটমার। ফেরিগুলোতে পুলিশের টহল না থাকায় প্রায় প্রতিরাতেই যাত্রীদের নিকট থেকে ছিনতাই হচ্ছে নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ স্বর্ণালংকার।
এর আগে গত শনিবার ভোরে ফেরি শাহ জালালে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আহত হয় এক যাত্রী। সেই সময় সাধারণ যাত্রীরা অভিযুক্ত ছিনতাইকারী বাবুলকে পিটুনি দেয়।
পরে পুলিশ বাবলুকে (৩০) আটক করে পুলিশি পাহারায় গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়।
ছুরিকাঘাতে আহত যাত্রী রেজাউল ইসলামকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার বাড়ি খুলনার পাইকগাছা উপজেলার হারিডালি গ্রামে।
দৌলতদিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিন এই নৌপথে ফেরিতে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ কয়েক হাজার যানবাহন পারাপার করে থাকে। দিনে পুলিশের টহল থাকলেও রাতে পুলিশের টহল থাকে না, আর এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়ে ছিনতাইকারী ও পকেটমার ঘাট এলাকাসহ ফেরিগুলোতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
বিআইডব্লিউটিসির উপব্যবস্থাপক(বাণিজ্য) জিল্লুর হাকিম বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট। এখানে দিনে পুলিশের টহল থাকার পাশাপাশি রাতেও পুলিশের টহল থাকাটা জরুরি, টহলগুলো নিয়মিত হলে ছিনতাইকারী ও পকেটমারের সক্রিয়তা কমে যাবে বলে আমি আশাবাদী।
দৌলতদিয়া ঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ওসি মুন্নাফ আলী শেখ বলেন, বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাটে আমাদের প্রয়োজনের তুলনায় লোকবল কম থাকায় ফেরিগুলোতে পুলিশের টহল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এরপরও আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি কীভাবে ছিনতাইকারী ও পকেটমার দৌরাত্ম্য কমানো যায়। ছিনতাইকারী বাবলুর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন হামলার শিকার হওয়া রেজাউল ইসলাম।
