সার্জিও আগুয়েরোর আশৈশব স্বপ্ন বার্সেলোনার হয়ে খেলা। ৩২ বছর বয়সে এসে সেই স্বপ্ন পূর্ণ হলো। বার্সার প্রস্তাব পাওয়া মাত্র দ্বিতীয়বার ভাবেননি এই আর্জেন্টিনা স্ট্রাইকার। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বুঝেছিলেন যে একদিন বার্সা তাকে ডাকবেই, এখন এটা ভেবেই আনন্দ পাচ্ছেন তিনি। সঙ্গে ২০০৬ থেকে ২০১১ পর্যন্ত আতলেতিকো মাদ্রিদে খেলা এই স্ট্রাইকার স্পেনে ফিরতে পেরে তৃপ্তি পাচ্ছেন। চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা সেরে ১২২ মিলিয়ন ডলার বাইআউট ক্লজে আগামী দুই মৌসুম বার্সেলোনায় থাকা নিশ্চিত করলেন সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি তারকা।
বার্সার সঙ্গে এ মাসেই চুক্তি শেষ হবে মেসির। প্রস্তাব দেওয়া হলেও নতুন চুক্তিতে কলম ছোঁয়াবেন কিনা তার নিশ্চয়তা এখনো নেই। আগুয়েরোর সূত্র ধরেই এখন কাতালানরা নতুন আশায় বুক বাঁধছে যে মেসি থাকছেন শৈশবের ক্লাবেই। আগুয়েরোও মেসির সঙ্গে খেলার সুযোগকেই এগিয়ে রাখছেন, ‘আশা করছি আমরা একসঙ্গে খেলব। ওর সঙ্গে খেলতে পারলে দারুণ আনন্দের ব্যাপার হবে। যদি সে এখানে থাকে, আমি আশা করছি। তাহলে আমরা দুজনে মিলে ক্লাবের জন্য সেরাটাই নিয়ে আসব। যখন বার্সা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করল আমি এজেন্টকে বলে দেই যেন অন্য কোনো ক্লাবের প্রস্তাব গ্রহণ না করে। এটা আমার জন্য ছিল অবিশ্বাস্য আনন্দ। আমার কাছে বার্সা সব সময়ই বিশ্বের সেরা দল, কারণ মেসি এখানে আছে। আমি বার্সার প্রেসিডেন্টকে গতকালই বললামÑ আমার বিশ্বাস ছিল একদিন বার্সা আমাকে ঠিকই ডাকবে। আজ আমি এখানে। আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো বার্সার জার্সিটা এখন আমার।’
কিন্তু মেসি কি বার্সেলোনায় থাকবেন? ২০০৬ থেকে একসঙ্গে জাতীয় দলে খেলা আগুয়েরো বলেন, ‘আমি মেসিকে যেমন চিনি, আমার বিশ্বাস সে এই ক্লাবেই থাকবে। আমরা একে অপরকে অনেক দিন ধরেই চিনি। সবশেষ মেসেজেও সে আমাকে বার্সায় আসার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে। এখন জানি না সে পরের মৌসুমে খেলবে কিনা, কিন্তু তার সঙ্গে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য আপাতত অপেক্ষায় আছি।’
এদিকে আগুয়েরো নয় শুধু, ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ৫ বছরের চুক্তিতে ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়াকেও ফিরিয়েছে বার্সেলোনা। তার বাইআউট ক্লজ রাখা হয়েছে ৪০ কোটি ইউরো।
