দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের অন্যতম চিকিৎসা সেবাকেন্দ্র রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল যেন পরিণত হচ্ছে মৃত্যুপুরীতে। হাসপাতালটির করোনা ইউনিটে প্রতিদিনই মৃত্যু হচ্ছে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রোগীর। গেল ঈদুল ফিতরের পর থেকে হাসপাতালটিতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যাও ঊর্ধ্বমুখী। গত ১৪ মে ঈদুল ফিতরের দিন থেকে গতকাল সোমবার পর্যন্ত ২৫ দিনে এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১৮৮ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শুধু চলতি মাসের প্রথম সাত দিনেই (১ জুন সকাল ৬টা থেকে ৭ জুন সকাল ৬টা পর্যন্ত) মারা গেছেন ৬০ জন। যার মধ্যে সবশেষ গত রবিবার সকাল থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় নতুন করে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।
শুধু মৃত্যুর ঊর্ধ্বমুখী হারই নয়, ঈদের পর থেকে করোনা রোগীর বাড়তি চাপ সামলাতে গিয়ে বেসামাল অবস্থায় পড়েছে রামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শয্যা সংকটের কারণে শুধু সংকটাপন্ন রোগীদেরই এ হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। এখানে করোনা চিকিৎসার ওয়ার্ডগুলোতে মোট শয্যা রয়েছে ২৩২টি। অথচ গত রবিবার দুপুরেও রোগী ভর্তি ছিল ২৩৫ জন। আর হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য আইসিইউ বেডসংখ্যা ১৮টি। যার সবকটিই গতকাল রোগীতে ছিল ভর্তি।
এদিকে নানা বিধিনিষেধ আরোপ সত্ত্বেও রাজশাহীর মতো দেশের সীমান্তবর্তী অন্য জেলাগুলোতেও করোনা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এর মধ্যে দিনাজপুরে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৩ জনের করোনা আক্রান্ত শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে শুধু দিনাজপুর সদর উপজেলায় ২১ জন রয়েছে। আরেক ঝুঁকিপূর্ণ জেলা বাগেরহাটে ৭০টি নমুনা পরীক্ষায় ৩২ জনের শরীরে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া নওগাঁয় সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১১৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এক দিনে এটি জেলায় সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড।
তবে গতকাল সুখবর এসেছে সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে জেলাটিতে চলমান লকডাউন না বাড়িয়ে ১১ দফা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে জেলা প্রশাসন। বিস্তারিত দেশ রূপান্তরের সংশ্লিষ্ট জেলার প্রতিনিধি ও নিজস্ব প্রতিবেদকদের পাঠানো খবরে :
ঈদের আগে কমে এলেও রাজশাহীতে ঈদের পর অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে করোনা রোগী। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এখন করোনার হটস্পটে পরিণত হয়েছে। ঈদের আগে রোগী কমতে কমতে সর্বনিম্ন নেমে আসে ৫৭ জন। গত ৭ মে এই হাসপাতালে করোনা রোগীর সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৫৭ জনে। কিন্তু ঈদের আগমুহূর্তে ও ঈদের পরে আবার রোগী বাড়তে শুরু করে। ১২ মে রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয় ৭৭ জন। এরপর থেকে রোগীর সংখ্যা বাড়ছেই। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। সবশেষ রবিবার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা সবাই করোনা আক্রান্ত ছিলেন। এদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন এবং রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও পাবনার একজন করে। হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ঈদের আগে গত ৬ মে দুজনের মৃত্যু হয়। ৭ মে দুই, ৮ মে দুই, ৯ মে পাঁচ, ১০ মে দুই, ১১ মে চার, ১২ মে ছয় ও ১৩ মে মারা যায় দুজন। ঈদের সময় ১৪, ১৫ ও ১৬ মে তিন দিনে ১৬, ১৭ মে তিন, ১৮ মে চার, ১৯ মে দুই, ২০ মে পাঁচ, ২১ মে দুই, ২২ মে দুই, ২৩ মে পাঁচ, ২৪ মে ১০, ২৫ মে চার, ২৬ মে চার, ২৭ মে চার, ২৮ মে ৯, ২৯ মে সাত, ৩০ মে ১২, ৩১ মে চার, ১ জুন সাত, ২ জুন সাত, ৩ জুন ৯, ৪ জুন ১৬, ৫ জুন ৮, ৬ জুন ৬ ও সর্বশেষ ৭ জুন মারা যায় ৭ জন মারা যায়। গতকাল সকাল পর্যন্ত এ হাসপাতালে ভর্তি ছিল ২৩২ জন। আইসিইউতে ছিল ১৮ জন। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছে ২০ জন। এর মধ্যে রাজশাহীর ১৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩ ও নওগাঁর ১ জন। একই সময় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৩ জন।
গত রবিবার রাজশাহীর দুটি ল্যাবে ৬০৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে আরও ২৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীর ৪৭৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৯৭ জনের পজিটিভ এসেছে। আর চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৯ এবং নওগাঁর ৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৫ জনের পজিটিভ এসেছে।
করোনা সংক্রমণের হার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেড়ে গেছে রোগীর চাপ। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ছাড়াও উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের অনেক জেলার রোগী ভর্তি হচ্ছে এখানে। রোগীর চাপ সামলাতে এখন হিমশিম দশা। একের পর এক সাধারণ ওয়ার্ডকে রূপান্তর করা হচ্ছে করোনা ওয়ার্ডে। এভাবে বাড়তে বাড়তে এখানকার নয়টি ওয়ার্ড এখন করোনা রোগীদের জন্য ব্যবহার হচ্ছে। ২৩২টি বেডে চলছে চিকিৎসা। সব বেডই রোগীতে ভর্তি হয়ে যাওয়ায় এখানকার আরেকটি ওয়ার্ডকেও করোনা ওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহারের কাজ শুরু হয়েছে। সেখানে অক্সিজেন লাইন বসানোর কাজ শেষের পথে। কিন্তু রোগী যদি বাড়তেই থাকে তবে কী হবে? এমন ভাবনাও ভাবাচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।
করোনা রোগীর এ চাপ সামলাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বেসামাল অবস্থায় পড়েছে। হাসপাতালে করোনা উপসর্গের রোগী ভর্তির ক্ষেত্রেও কিছুটা বাছবিচার করা হচ্ছে। চাইলেই হাসপাতালে ভর্তি হতে পারবেন এমন নয়। মূলত যেসব রোগীর জন্য অক্সিজেন জরুরি তেমন রোগীকেই হাসপাতালে ভর্তি করানো হচ্ছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, বেড শেষ হয়ে গেলেও দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। কারণ আরও কিছু রোগী ভর্তি নেওয়ার সুযোগ আছে। ওয়ার্ডগুলোতে আরও কিছু বাড়তি বেডের ব্যবস্থা করা যাবে। ওয়ার্ডের বারান্দাতেও রোগী রাখার ব্যবস্থা করার সুযোগ আছে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, ‘হাসপাতালে শয্যা ২৩২টি। একটি ওয়ার্ডে যে বেড ও সেন্ট্রাল অক্সিজেন আছে এর বাইরে ওখানে ১৫ থেকে ২০ জন রোগী রাখা যায়। বারান্দায় রাখা যায়। আরও এই রকম ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী রাখতে পারব। তাদের আমরা সেন্ট্রাল অক্সিজেন দিতে না পারলেও সিলিন্ডার অক্সিজেন দিতে পারব। সেই রকম ব্যবস্থাও আমাদের আছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে ১০ থেকে ১৫ জন খুব আরামে রাখা যায়। দু-এক দিনের মধ্যে করোনা চিকিৎসার জন্য আরেকটি ওয়ার্ড যোগ হবে।’
হাসপাতাল পরিচালক বলেন, ‘অক্সিজেন লাগে না এমন রোগী আমরা ভর্তি করছি না। যাদের অক্সিজেন জরুরি তাদের তো ভর্তি করতে হবেই। তাই আমরা বিকল্প পদ্ধতিতে ভর্তি করছি। আমাদের এখানে ডাক্তার সংকট ছিল। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক আমাদের ১৫ জন ডাক্তার দিয়েছেন। এটি দিয়ে নতুন ওয়ার্ডসহ আরও একটি ওয়ার্ড চালানো যাবে। এছাড়াও আমরা ডাক্তারদের বোঝাচ্ছি বাড়তি কাজ করার জন্য। যেহেতু জরুরি সময় তারাও কাজ করছেন।’
এছাড়া রাজশাহী সদর হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে। সেটি চালু করা হলে ১০০ জন করোনা রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
দিনাজপুরে করোনা আক্রান্তের হার-মৃত্যু বাড়ছে : সীমান্তবর্তী জেলা দিনাজপুরে আশঙ্কাজনকহারে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় দিনাজপুরে ১৭০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৩ জনের করোনা আক্রান্ত শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে শুধু দিনাজপুর সদর উপজেলায় ২১ জন রয়েছে। জেলায় করোনা শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৪১ শতাংশ। এছাড়াও করোনা আক্রান্ত হয়ে নতুন করে দিনাজপুর সদর উপজেলায় একজন মারা গেছে। এই নিয়ে জেলায় ১৩৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেল।
মোংলায় সংক্রমণের হার ৫২ শতাংশ : বাগেরহাটে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৭০টি নমুনা পরীক্ষায় ৩২ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের হার ছিল ৪৫ শতাংশ। আর জেলার সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মোংলায় সংক্রমণের হার ৫২ শতাংশ বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণের হার কমতে পারে আশা তাদের। এ নিয়ে করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে বাগেরহাটে ৭৭১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলো। আর মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের।
জেলার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা মোংলা উপজেলায় প্রশাসনের ৩০ মে থেকে আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধ ঢিলেঢালাভাবে চলছে। প্রশাসনের তদারকির মধ্যে লুকোচুরি করে চলছে স্থানীয়দের চলাফেরা। ফলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।
নওগাঁয় এক দিনে ১১৯ করোনা রোগী শনাক্ত : সীমান্তের জেলা নওগাঁয় গত রবিবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন করে ১১৯ জনের করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। এক দিনে এটি জেলায় সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। এর আগে ২০২০ সালে ২৬ জুন এক দিনে সর্বোচ্চ ৮৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। নতুন শনাক্ত ১১৯ জনসহ নওগাঁয় করোনা রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৫০৪ জন। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমিত এক এবং উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন নওগাঁর ডেপুটি সিভিল সার্জন ও জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির ফোকাল পারসন মঞ্জুর-এ মোর্শেদ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘লকডাউনের’ পরিবর্তে ১১ বিধিনিষেধ : চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে দ্বিতীয় দফায় চলমান ‘লকডাউন’ বাড়ানোর পরিবর্তে ১১ দফা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল সন্ধ্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন।
নতুন আরোপ করা বিধিনিষেধের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সব দোকানপাট স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। একই সময় পর্যন্ত কৃষি ও নির্মাণশ্রমিকরা কাজ করতে পাবেন। আন্তঃজেলা রুটে বাস চলাচল করবে না। তবে রিকশায় একজন ও অটোরিকশায় দুজন যাত্রী পরিবহন করা যাবে। সব ধরনের জনসমাবেশসহ সব সাপ্তাহিক হাটবাজার বন্ধ থাকবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমবাণিজ্য প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আম কেনাবেচা ও পরিবহন চালু থাকবে।
হিলিতে সংক্রমণ রোধে নতুন ৩ সিদ্ধান্ত : দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর ও সীমান্তবর্তী এলাকায় করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে আরও তিনটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। গতকাল দুপুরে হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির এক বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এদিকে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের দেওয়া শর্ত মানা সম্ভব নয় জানিয়ে চারটি শর্ত দিয়ে তা না পূরণ হলে আগামীকাল বুধবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের পণ্য রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা জানিয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের চিঠি দিয়েছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। গত রবিবার রাতে ভারতের ব্যবসায়ী সংগঠন হিলি এক্সপোটার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ধীরাজ অধিকারী স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে হিলি স্থলবন্দর আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপ ও বাংলাহিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনকে বন্ধের এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।
