‘মুভিং বাংলাদেশ’-এর শ্যুটিং আগামী বছর

আপডেট : ১১ জুন ২০২১, ১২:২৭ এএম

বিশ্বের মর্যাদাপূর্ণ কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ‘মার্শে দ্যু ফিল্ম’ বিভাগে আমন্ত্রণ পেয়েছে তরুণ নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন-এর নির্মাণাধীন প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মুভিং বাংলাদেশ’। এ নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন রণ

কানের ‘মার্শে দ্যু ফিল্ম’ বিভাগে...

আমার নির্মাণাধীন প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মুভিং বাংলাদেশ’ কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মতো সম্মানজনক প্ল্যাটফর্মের ‘মার্শে দ্যু ফিল্ম’ বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে, এটা সত্যিই আনন্দের ও অনুপ্রেরণার বিষয়। বিষয়টি সবাই জানার পর অনেক বেশি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনবার্তা পাচ্ছি। এক বছর ধরে আমি এই ছবির চিত্রনাট্য তৈরি করছি। অনেকে শুনে অবাক হয়েছেন যে একটি ছবির স্ক্রিপ্টের জন্য এক বছর সময় দিচ্ছি! আসলেই তাই, এটা লং প্রসেস। তবে সেটা সহজ হয়ে যায় যখন এ ধরনের সুযোগ পাওয়া যায়। এর আগে গত বছর আমরা যখন এই ছবির চিত্রনাট্য গোয়া ফিল্মবাজারের জন্য সিলেকটেড হই, তখন এটি সেরা প্রজেক্ট নির্বাচিত হয়। তার জন্যই পরবর্তী সময়ে এটি কানের ফিল্মবাজারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছে। কানে আমন্ত্রণের বিষয়টিকে আমি দেখছি বেবি শাওয়ারের মতো। সন্তান পৃথিবীতে আসার আগে যেমন গর্ভবতী মাকে নিয়ে একধরনের সেলিব্রেশন হয়, বিষয়টি তেমনি। বিষয়টি নিয়ে একটু অস্বস্তিতেও আছি। কারণ সবাই যে বিষয়টির জন্য এত সাধুবাদ ও প্রশংসা করছে, সেটি এখনো তৈরিই হয়নি। অনেকে ভাবছেন ‘মুভিং বাংলাদেশ’ কানে প্রদর্শিত হচ্ছে। যে ছবির শ্যুটিংই শুরু হয়নি, সেটি কীভাবে প্রদর্শিত হবে আগামী মাসের কান উৎসবে!

মুভিং বাংলাদেশ...

আমি এখন ব্যস্ত ‘মুভিং বাংলাদেশ’-এর প্রি-প্রোডাকশন নিয়ে। সিনেমাটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হবে। সত্যিকারের ঘটনা অবলম্বনে ছবি বানানো খুবই চ্যালেঞ্জিং। নিজের তৈরি গল্পে অনেক স্বাধীনতা থাকলেও সত্যিকার ঘটনায় তা সম্ভব হয় না। তবে সত্যিকারের ঘটনা অবলম্বনে হলেও এটা কিন্তু ডকুমেন্টারি না। মূল গল্প ঠিক রেখে নিজের মতো উপস্থাপন করব। এই চ্যালেঞ্জটা খুবই ইন্টারেস্টিং লেগেছে। দেশে পাঠাও অ্যাপে যাত্রা শুরুর গল্প নিয়ে হচ্ছে সিনেমাটি। কীভাবে একদল তরুণ ঢাকার যানজটে অতিষ্ঠ হয়ে নিজেরাই একটি উপায় বের করে ফেলল, সে গল্পই দেখানো হবে সিনেমায়। আমাদের সিনেমার ফরাসি প্রযোজক বিচ কোয়ান ট্রান এবং তাইওয়ানের প্রযোজক প্যাট্রিক মাও হুয়াংকে অনেক ধন্যবাদ। বাংলাদেশ থেকে গুপী বাঘা প্রোডাকশনের ব্যানারে সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন আরিফুর রহমান ও বিজন ইমতিয়াজ। এর আগে এই প্রোডাকশনের ব্যানারে আরিফুর রহমানের প্রযোজনায় মাটির প্রজার দেশে সিনেমাটি করেছিলেন বিজন ইমতিয়াজ। ‘মুভিং বাংলাদেশ’ সিনেমার চিত্রনাট্য ফিল্মবাজার ছাড়াও লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসবের ওপেন ডোর কনসালট্যান্সি থেকে চিত্রনাট্য বিষয়ে পরামর্শ পাবে। সিনেমায় থাকবে ২০১৪-১৫ সালের প্রেক্ষাপট।

শ্যুটিং...

আগামী বছর ছবিটির শ্যুটিং শুরু করব। কারা অভিনয় করবে, তাও এখনো ঠিক হয়নি। একদম নতুন কেউও হতে পারে। অভিনয়শিল্পী বাছাইয়ের প্রক্রিয়াটা দীর্ঘ হবে। অডিশনসহ অন্যান্য প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আসতে হবে। ছবির অভিনয়শিল্পী বাছাইয়ে একচুলও ছাড় নয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত