মিমির পরামর্শ

আপডেট : ১১ জুন ২০২১, ১২:২৭ এএম

বরাবরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব পশ্চিম বাংলার চিত্রনায়িকা ও সাবেক সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন তিনি। নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেন প্রতিনিয়ত। সম্প্রতি তেমনই কিছু নতুন লুকে নিজেকে উপস্থাপন করলেন তিনি। আগে চুল ছিল বেশ লম্বা। সম্প্রতি নিজেই তাতে কাঁচি চালিয়েছেন। কপালের অংশের চুল ছেঁটে ছোট করে ফেলেছেন। নতুন এ হেয়ারস্টাইলের ছবি নেটমাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন মিমি। পরনে জিনস, লাল টপ আর কানে গোল দুল। ছবিগুলো ইতিমধ্যে কয়েক লাখ মানুষ পছন্দ করেছেন। স্বভাবতই চলচ্চিত্রের তারকাদের নতুন ‘লুক’ দেখলেই ভক্তদের মনে একটি প্রশ্ন আসে, নতুন কোনো সিনেমা আসছে কি? মিমির ছবিগুলোর নিচেও অনেকে লিখে জানতে চেয়েছেন, নতুন কোনো সিনেমা কি করতে যাচ্ছেন? জবাব দেননি মিমি। রহস্যটা থেকেই গেল। শুধু ছবি নয়, নতুন কয়েকটা ভিডিও আপলোড করেছেন। একটা ভিডিওতে চারপাশ অন্ধকার। তার মধ্যে ভেসে উঠছে মিমির মুখ। তার ওপরে ভেসে উঠছে কয়েকটি প্রশ্ন। নেপথ্যে হালকা সুর। মন খারাপ করা একটা আবহ। এমন ভিডিওর কারণ জানা গেল তার মন্তব্যেই। মিমি লিখেছেন, ‘কেউ যদি আপনার কাছে জানান যে তিনি ভালো নেই, তবে সে কথা উড়িয়ে দেবেন না। তার কথার গুরুত্ব দিন। তাকে বোঝান। এটা সাময়িক, জীবনের একটি সময়মাত্র। কেটে যাবে বা তুমি বেশি ভাবছ এসব কথা না বলে তার কথা শুনুন। পাশে থাকার ভরসা দিন। উদার হন। কাছের মানুষের মনের খবর এড়িয়ে যাবেন না।’

শুধু কথায় নয়, করোনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মিমি। অর্থ সাহায্য থেকে শুরু করে হাসপাতালে শয্যা ও অক্সিজেনের বন্দোবস্ত করেছেন। নিজের নির্বাচনী এলাকা যাদবপুরের বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ নম্বর চালু করেছিলেন তিনি। লকডাউনে কী কী করলে ভালো থাকা যায়, সে পরামর্শও দিলেন। মিমির পরামর্শ, লকডাউনে প্রতিটি দিন ইতিবাচক মন নিয়ে কাটান। এজন্য সবাইকে মজার সিনেমা বা কার্টুন দেখার কথা বলেছেন। মন খারাপ থাকলে এ ধরনের ছবি তিনি নিজে দেখেন, এ কথাও জানাতে ভোলেননি। অনেকেই ডায়েরি লিখতে ভালোবাসেন। তাদের উদ্দেশে ইন্সটাগ্রামে বলেছেন, দুশ্চিন্তার কারণ লিখে ফেলুন। এতে অর্ধেক সমস্যার সমাধান। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়ার ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি। রয়েছে ভালো গান শোনা, বই পড়ার অভ্যাস। নিয়মিত যোগব্যায়াম বা শরীরচর্চা করলেও শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি মেটে। দুশ্চিন্তা কমে আপনা থেকেই। পাশাপাশি ভ্রান্ত খবর থেকে দূরে থাকতে বলেছেন বারবার। একই সঙ্গে মনে করিয়ে দিয়েছেন, একটি গাছ একটি প্রাণ। মিমির অনুরোধ, ‘সবাই নিজের বাড়িতে গাছ লাগিয়ে নিয়মিত পরিচর্যা করুন। সময়ও কাটবে, বাড়ি ভরে উঠবে প্রাকৃতিক অক্সিজেনে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত