মেধাবী অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি গত কয়েক বছর ধরে বলে আসছিলেন তিনি অভিনয়ের বাইরে কিছু করবেন। এরই মধ্যে সবাই জানেন, তিনি ‘খনা অর্গানিক’ নামে একটি কৃষিপণ্যের ব্যবসা চালু করেছেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না, তিনি একটি প্রযোজনা সংস্থাও খুলেছেন। ‘রে হাউজ’ নামের এই প্রতিষ্ঠান থেকে এরই মধ্যে তিনি বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের প্রচারণাধর্মী কাজ করেছেন। তবে নিজের প্রযোজনা সংস্থার বিষয়টি সবাইকে জানাতে একটি ভালো উপলক্ষের অপেক্ষায় ছিলেন। অবশেষে সেই উপলক্ষ চলে এসেছে। সরকারি অনুদানের সিনেমা ‘সাইকেল বালক’-এর পরিবেশক হিসেবে কাজ করছে জ্যোতির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি। এরই মধ্যে জ্যোতি কলকাতার প্রভাবশালী প্রযোজনা সংস্থা ‘এসভিএফ’-এর কাছে সিনেমাটির ডিজিটাল রাইটস বিক্রি করেছেন। জ্যোতি বলেন, ‘আমি এবার সরকারি অনুদানের জন্য একটি স্ক্রিপ্ট জমা দিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, সেটি পেলে ওই ছবির মাধ্যমে আমার প্রযোজনা সংস্থার বিষয়টি সবাইকে জানাব। কিন্তু সেটি সময়সাপেক্ষ বিষয়। এরই মধ্যে সাইকেল বালক ছবিটির পরিবেশনার দায়িত্ব নিলাম। এবং ছবিটি একটি ভালো প্ল্যাটফর্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলাম। এটি নতুন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমার জন্য খুবই সাফল্যের কথা। তাই এই খবরটির মাধ্যমে রে হাইজের নাম সবাই জানুক।’ তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন এসভিএফের নিজস্ব ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হলো হইচই। সেখানে সাইকেল বালক মুক্তি পেতে পারে। আবার তারা চাইলে এটিকে বিদেশি কোনো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও মুক্তি দিতে পারেন। আমি এখন সিনেমাটি দেশে মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে ফোকাস করছি।’
উল্লেখ্য, ‘সাইকেল বালক’ ছবিটির গল্প ও পরিচালনা করেছেন হাবিব। এটি মূলত মফস্বলের দুই কিশোরের বন্ধুত্বের গল্প। প্রতিটি মানুষের কৈশোর হলো নিজেকে মেলে ধরার বয়স। সেই বয়সের নস্টালজিয়া আমরা আজীবন ধারণ করি। এমনই এক আবেগঘন গল্পের ছবি এটি। অভিনয় করেছেন রিভু, আকিব, মুরালি, আদিবা প্রমুখ। জ্যোতি বলেন, ‘ছবিটি আমি ও আমার মা দেখেছি। আমারও মাও ইমোশনাল হয়ে পড়েছে দেখে। তখনই মনে হলো এমন একটি ভালো ছবি মানুষের কাছে পৌঁছানো উচিত। সেই লক্ষ্য থেকেই আমি এসভিএফের সঙ্গে আলোচনা করি ছবিটির ব্যাপারে। যেদিন ছবিটি পাঠাই সেদিনই তারা রাজি হয়ে যায় এর ডিজিটাল স্বত্ব নিতে।’
