ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের গৃহ ও হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কীভাবে হয় এবং পয়ঃনিষ্কাশন ও অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে ব্যবস্থা কী সে বিষয়ে জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। আদেশের দুই সপ্তাহের মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনের কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে আদালতকে প্রতিবেদন আকারে জানাতে বলা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রিট আবেদনের শুনানির ধারাবাহিকতায় গতকাল বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মহিদুল কবির।
আদালত সূত্র জানিয়েছে, ঢাকায় ময়লার ভাগাড়ের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ২০১৫ সালের ৭ ডিসেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মহিদুল কবির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিস পাঠান। তবে পদক্ষেপ না নেওয়ায় হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন তিনি। ২০১৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আইন অনুসারে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সে সম্পর্কে তিন মাসের মধ্যে আদালতকে জানানোর নির্দেশ দিলে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করে দুই সিটি করপোরেশন।
