জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক (এমপিআই) শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেনি পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে গতকাল বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ সংক্রান্ত সভায় এটি প্রকাশ করার কথা ছিল। গতকাল দুপুরে শেরেবাংলা নগরে মন্ত্রীর দপ্তরে গিয়ে সভার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘সভা একটি হওয়ার কথা ছিল বলে জানতাম। কিন্তু আমাকে সকালে কিছু জানানো হয়নি। হয়তো কোনো কারণে জিইডি এটি স্থগিত করতে পারে। কিন্তু সেটাও আমাকে অবগত করা হয়নি। পরে খোঁজ নিয়ে বলতে পারব।’
এক প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘করোনার পর সরকারের অন্যতম প্রায়রিটি হবে দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান। কীভাবে দারিদ্র্য মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায়, সেভাবে সামনের ৫ বা ১০ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হবে।’
এদিকে দেশ রূপান্তরে প্রকাশিত ‘দেশে সাড়ে ৬ কোটি মানুষ দরিদ্র’ শীর্ষক সংবাদ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা পাঠিয়েছে জিইডি। গতকাল পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য হার এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দারিদ্র্য হার নির্মূল করার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। এরূপ অবস্থায় জাতীয় দারিদ্র্য হারকে শুধু আয় বা ভোগনির্ভর সূচক দ্বারা পরিমাপ করলে তা পরিপূর্ণ রূপ পায় না। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি), বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), ইউনিসেফ-বাংলাদেশ এবং অক্সফোর্ড পোভার্টি অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভের (ওপিএইচআই) কারিগরি সহায়তায় এমআইসিএস ২০১৯ সমীক্ষার তথ্যাদি ব্যবহার করে জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক (এমপিআই) প্রণয়নের একটি পর্যালোচনা গবেষণা গ্রহণ করেছে। এ উদ্যোগের আওতায় বর্তমানে এমপিআই সংক্রান্ত গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত কোনো প্রতিবেদন এখন পর্যন্ত সরকার কর্র্তৃক গৃহীত হয়নি এবং প্রকাশ করাও হয়নি। উল্লেখ, প্রকাশিতব্য এমপিআই শীর্ষক প্রতিবেদনটি দেশ রূপান্তরের কাছে রয়েছে।
