করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যেই ফরিদপুরে কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে সমাবেশ করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বোয়ালমারী উপজেলার কাদিরদি কলেজ সংলগ্ন ময়দানে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ওই এলাকার সাবেক এই সংসদ সদস্য।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্মিত আয়েশা শরিয়ত উল্যা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে এই সমাবেশ হয়। অনুষ্ঠানে বোয়ালমারী ছাড়াও পাশের আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী থেকেও মোটরসাইকেল ও গাড়িবহর নিয়ে নেতাকর্মীরা যোগ দেন।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালমারী পৌর মেয়র সেলিমুজ্জামান লিপন মিয়া, আলফাডাঙ্গা পৌর মেয়র সাইফুর রহমান সাইফার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পিকুল মৃধা, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, মধুখালী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম বকু, চতুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লিটু শরীফ প্রমুখ।
তবে বিশেষ অতিথি হিসেবে নাম ঘোষণা করা হলেও এ অনুষ্ঠানে যোগ দেননি জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ। ইউএনও ঝোটন চন্দ বলেন, ‘এভাবে সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে গণজমায়েত করা ঠিক হয়নি। বিষয়টি জানাতে ওনাকে (আবদুর রহমানকে) ফোন করেছিলাম কিন্তু উনি ফোন ধরেননি।’ শারীরিক অসুস্থতার কারণে সেখানে যাননি উল্লেখ করে ঝোটন জানান, তার প্রতিনিধি হিসেবে এসি ল্যান্ডকে পাঠিয়েছিলেন। দুপুর ৩টার দিকে জনসমাগম বাড়তে থাকায় তিনি সেখান থেকে চলে আসেন।
এভাবে অনুষ্ঠান করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান বলেন, ‘অনুষ্ঠানটি রাজনৈতিক হওয়ায় আমাদের করার কিছু ছিল না।’
এ ব্যাপারে ফরিদপুর-১ আসনের বর্তমান এমপি মনজুর হোসেন বুলবুল বলেন, এটি কতটুকু যৌক্তিক তা বিবেচনার ভার ওই নেতার ওপরই ছেড়ে দিলাম। রাষ্ট্রের আইন মানার দায়িত্ব প্রতিটি নাগরিকের ওপর সমানভাবে প্রযোজ্য।
ফরিদপুর-১ আসনের দুইবারের সাবেক এমপি আবদুর রহমান সমাবেশে বলেন, আমি যখন এই এলাকার সংসদ সদস্য ছিলাম, তখন অনেক উন্নয়ন কাজ হয়েছে। অনেক রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ভবন করেছি। মাঝকান্দি-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়ক, কালুখালি-ভাটিয়াপাড়া রেল আমার সময়েই করেছি। তবে আজ অনেক কথাই শুনতে পাই।
