দ্বিতীয় অধ্যায় : ব্রিটিশ শাসন
যোগ্যতাভিত্তিক সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
১. ইংরেজরা কেন ভারতে এসেছিল?
উত্তর : ব্যবসার উদ্দেশ্যে।
২. ইংরেজরা কত সালে ব্রিটিশ ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে?
উত্তর : ১৬০০ সালে।
৩. বাংলার এই অঞ্চলের প্রতি ইংরেজদের আগ্রহের মূল কারণ কী ছিল?
উত্তর : বাংলার সম্পদ।
৪. বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব কে ছিলেন?
উত্তর : সিরাজউদ্দৌলা।
৫. কত সালে ২২ বছর বয়সী সিরাজউদ্দৌলা বাংলার নবাব হন?
উত্তর : ১৭৫৬ সালে।
৬. ঘসেটি বেগম, সম্পর্কে সিরাজের কে হন?
উত্তর : খালা।
৭. কার বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব পরাজিত হন?
উত্তর : সৈন্যবাহিনীর প্রধান মীরজাফরের কারণে।
৮. ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজদের এক যুদ্ধ হয়, এ যুদ্ধের নাম কী ছিল?
উত্তর : পলাশীর যুদ্ধ।
৯. পলাশী যুদ্ধের ফলাফল লেখো।
উত্তর : নবাব পরাজিত হন। পরে তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার ফলে বাংলায় ১৭৫৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত প্রায় দুই শত বছরের ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১০. নবাব যে তিনটি পক্ষ থেকে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন তাদের নাম লেখো।
উত্তর : পরিবার, ইংরেজ বণিক ও এদেশীয় বণিক।
১১. ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন কত বছর চলে?
উত্তর : ১৭৫৭ থেকে ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত একশ বছর।
১২. ব্রিটিশ রানি কত সালে কোম্পানির শাসন রদ করে সমগ্র ভারতের শাসনভার নিজ হাতে তুলে নেন?
উত্তর : ১৮৫৮ সালে।
১৩. ব্রিটিশ শাসনের বেশ কিছু খারাপ দিক ছিল, সেগুলো থেকে দুটি লেখো।
উত্তর : i. জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও অঞ্চলভেদে বিভেদ সৃষ্টি হয়।
ii. ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ নামক দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।
১৪. ব্রিটিশ শাসনের ভালো দিকগুলোর দুটি লেখো।
উত্তর : i. স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাপাখানা প্রতিষ্ঠার ফলে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি হয়। ii. যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশেষ উন্নতি হয়।
১৫. জমিদারি প্রথার কুফল কী ছিল?
উত্তর : জমিদারি প্রথার ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ গরিব হয়ে যায়।
১৬. প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কারা ব্রিটিশদের পক্ষে অংশগ্রহণ করে?
উত্তর : ভারতের অনেক সাহসী তরুণ।
