আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাথমিক পর্বের তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষই পেয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম রাউন্ডের ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গী স্কটল্যান্ড, পাপুয়া নিউগিনি ও বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক ওমান। ‘এ’ গ্রুপে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও নামিবিয়া।
দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল যোগ্যতা অর্জন করবে সুপার টুয়েলভে। র্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে আগে থেকেই চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করেছে ৮ দল। বাংলাদেশ যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে সুপার টুয়েলভে খেলা পড়বে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে। চূড়ান্ত পর্বের এই গ্রুপে (বি) আরও যুক্ত হবে ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ। চূড়ান্ত পর্বের গ্রুপ ‘এ’-তে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন উইন্ডিজের সঙ্গী হয়েছে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম রাউন্ডের ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপরা খেলবে সেই গ্রুপে। ২০২১ সালের ২০ মার্চ পর্যন্ত র্যাঙ্কিংয়ের ওপর ভিত্তি করে গ্রুপগুলো সাজিয়েছে আইসিসি।
১৭ অক্টোবর প্রথম পর্বের খেলার মধ্য দিয়ে পর্দা উঠবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। এই পর্বের খেলা আমিরাতের একটি শহর ও ওমান যৌথভাবে আয়োজন করবে। এটা অনুমিতই যে, ওমান তাদের তিনটি গ্রুপ ম্যাচ নিজেদের মাঠেই খেলবে। এরপর ২৪ অক্টোবর থেকে ৩০ ম্যাচের সুপার টুয়েলভ হবে আমিরাতের প্রধান তিন ভেন্যু দুবাই, আবুধাবি ও শারজায়। ফাইনাল ১৪ নভেম্বর। করোনা পরিস্থিতির কারণে ভারতের বিশ্বকাপটি মধ্যপ্রাচ্যে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে আয়োজনের সব দায়িত্ব পালন করবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডই। ২০১৬ টি-২০ বিশ্বকাপেও বাংলাদেশের গ্রুপে ছিল ওমান। ভারতের ধর্মশালায় অনুষ্ঠিত সে ম্যাচে ২ উইকেটে ১৮০ রান তুলে ৫৪ রানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ ওমানকে। টি-২০তে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির সঙ্গে ওই একটিই ম্যাচ টাইগারদের। স্কটল্যান্ডের সঙ্গেও একবারই দেখা হয়েছে বাংলাদেশের টি-২০তে। ২০১২তে নেদারল্যান্ডসের হেগে ২০১২’র সে ম্যাচে ১২৮ রানে অলআউট বাংলাদেশ স্কটিশদের কাছে ৩৪ রানে হেরেছিল। পাপুয়া নিউগিনির সঙ্গে এখনো টি২০ খেলা হয়নি বাংলাদেশের।
গ্রুপিংয়ের মধ্য দিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে যাওয়া বিশ্বকাপকে আয়োজনের প্রক্রিয়ায় আনতে পেরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে ভারতীয় বোর্ড। বিসিসিআই সেক্রেটারি জয় শাহ বলেছেন, ‘গ্রুপ ঘোষণার মাধ্যমে বিশ্বকাপের দিন গণনা শুরু হয়ে গেল। দুটি গ্রুপকে আলাদা করা খুবই কঠিন। ছোট সংস্করণে প্রতিটি দলই দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট চমকের জন্য পরিচিত। সবাইকেই সে জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। আমি নিশ্চিত বেশ কিছু রোমাঞ্চকর ম্যাচ দেখতে পাব।’
