একটি বিস্কুট কোম্পানির বিক্রয় কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন (৩০)। ঈদের ছুটি শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের ভোলাচং থেকে বহুকষ্টে গতকাল শুক্রবার দুপুর নাগাদ এসে পৌঁছান রাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায়। যাবেন ঢাকার কেরানীগঞ্জের কর্মস্থলে। যাত্রাবাড়ী নেমেই যানবাহন সংকটে পড়েন বিপত্তিতে। তবে ‘লকডাউন’র ঝক্কি পেরিয়ে ঢাকায় পৌঁছতে পেরেই দেলোয়ারের মুখে তৃপ্তির হাসি।
দেশ রূপান্তরের সঙ্গে আলাপকালে দেলোয়ার জানান, গতকাল ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ফেরিঘাট থেকে নদী পার হওয়ার পর অটোরিকশায় চড়ে আসেন গাউছিয়া। এরপর কিছুটা হেঁটে ও কিছুটা রিকশায় চড়ে গাউছিয়া থেকে পৌঁছান যাত্রাবাড়ী। তিনি বলেন, ‘চার দিনের ছুটির শর্ত ছিল ২৪ জুলাই (আজ শনিবার) কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। না হলে খাতায় এই চার দিন অনুপস্থিত দেখানোর পাশাপাশি বেতন কর্তন হবে। যেতে-আসতে দুদিন চলে গেল। পরিবারের সঙ্গে ঠিকমতো ঈদের আনন্দটাও উপভোগ করতে পারিনি। এরই মধ্যে লকডাউনেও কাজে ফেরার তাড়া। তাও ভালো ঢাকায় ফিরতে পেরেছি।’
করোনা সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ শুরুর পর ঈদের ছুটি শেষে গতকাল দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় পৌঁছতে পারলেও যানবাহন না পেয়ে দেলোয়ারের মতো একইভাবে ভোগান্তিতে পড়তে হয় হাজার হাজার মানুষকে। নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছতে একপ্রকার যুদ্ধে নামতে হয়েছিল শহরমুখী এসব মানুষকে। ‘লকডাউন’ শিথিল করার পর ঈদের ছুটি কাটাতে যারা শহর ছেড়েছিলেন তারা সবাই যেন এক দিনেই ঢাকামুখী হন। দূরপাল্লার পরিবহনের অপ্রতুলতা এবং লঞ্চ না থাকলেও বাসের টিকিট অথবা লঞ্চের অপেক্ষায় বসে না থেকে যে যেভাবে পেরেছেন সেভাবেই ঢাকা ফিরেছেন। ভ্যান, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে বাড়তি ভাড়ায় গাদাগাদি করে সব কষ্ট সহ্য করে গতকাল সকাল ৬টার আগেই রাজধানীতে এসে পৌঁছতে পারলেও ভোগান্তি পিছু ছাড়েনি তাদের। ভোরের আলো ফুটতেই রাজধানীতে গাড়ি এবং রিকশার সংখ্যা কমে যায়। ফলে শহরে এসেও আরেক দফা ভোগান্তিতে পড়ে শহরমুখী মানুষ। গতকাল সকালে রাজধানীর সদরঘাট, গুলিস্তান ও পল্টন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
টার্মিনালে নেমে যানবাহন না পেয়ে কেউ হেঁটে, কেউবা রিকশা বা ভ্যানে চেপে রওনা হন গন্তব্যের উদ্দেশে। তবে যারা রিকশা বা ভ্যানে উঠতে পেরেছেন, তাদের দিতে হয়েছে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া। বিশেষ করে বয়স্ক, নারী এবং যাদের সঙ্গে শিশু ছিল তাদের ভোগান্তি ও দুর্দশা সবচেয়ে বেশি পোহাতে হয়। বিধিনিষেধের প্রথম দিন সকালে রাজধানীর বেশিরভাগ রাস্তাঘাট ছিল ফাঁকা। কিন্তু পুরান ঢাকার সদরঘাটের সড়কে দেখা যায় রাতের লঞ্চে ঢাকায় আসা মানুষের মিছিল। হাজার হাজার মানুষ ব্যাগ-বস্তা নিয়ে নিরুপায় হয়ে ছুটেছে। পিকআপ বা রিকশা দেখলেই দৌড়ে ছুটে গেছে। রিকশাচালকরা যা ভাড়া দাবি করেছে তাতেই রাজি হয়ে গেছেন অসংখ্য যাত্রী। তবে ‘সোনার হরিণ’ রিকশা মেলা ছিল দায়।
রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন বরিশালের আমিরুল ইসলাম। সদরঘাটে নেমে কোনো যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই গুলিস্তান চলে আসেন। যাবেন ফার্মগেট। গুলিস্তান থেকে ২৫০ টাকা ভাড়ায় ফার্মগেট যেতে রাজি হলেও রিকশাচালক শর্ত জুড়ে দেন। সঙ্গে আরেকজন যাত্রী নেবেন। আরেকজন যাত্রী জুটতেও বেশি বেগ পেতে হয়নি রিকশাচালকের। শুধু আমিরুল একাই নন, এরকম বিপাকে পড়া লোকের সংখ্যা ছিল বহু। ঈদের ছুটি এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় ঢাকার ভেতরে যানবাহন চলাচল ও রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি এমনিতেই ছিল কম।
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থেকে এইচআর পরিবহনে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন গাজী কাইয়ুম। তবে সেই এইচআর পরিবহনে তার আর ঢাকায় ঢোকা হয়নি। দৌলতদিয়া ঘাটে দীর্ঘ যানজটের কারণে পরিবহন কর্র্তৃপক্ষ তাকে ফেরিতে পার করে এপারে পাটুরিয়া থেকে নিলাচল নামে একটি লোকাল বাসে গাবতলী পাঠিয়ে দেয়। ভোর সাড়ে ৫টায় গাবতলী নামলেও ভোগান্তি পিছু ছাড়েনি কাইয়ুমের। তিনগুণ বাড়তি ভাড়া দিয়ে রিকশায় চড়ে নিজ বাসায় পৌঁছেছেন।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির পাশে ফ্লাইওভারের নিচের সড়কে ব্যাগ, বোঁচকা নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলেন মো. রতন মিয়া (২২)। শ্রমজীবী এই যুবক কাজ করেন ঢাকার অদূরে গাউছিয়া এলাকায় একটি বহুজাতিক কোম্পানির প্লাস্টিক কারখানায়। আলাপকালে তিনি জানান, ঈদের তিন দিনের ছুটির রেশ কাটিয়ে ওঠার আগেই কুড়িগ্রামের রাজারহাট থেকে গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার উদ্দেশে বাসে করে রওনা হন। গতকাল ভোর ৬টায় টঙ্গী এলাকায় বাসটির যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। গাউছিয়া যাওয়ার উদ্দেশে টঙ্গী থেকে কিছুটা হেঁটে আবার কিছুটা পথ রিকশায় চড়ে সকাল ১০টায় পৌঁছান যাত্রাবাড়ী এলাকায়। কিন্তু দুপুর ১টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও কোনো যানবাহন পাননি। পরে ২০০ টাকা চুক্তিতে একটি রিকশায় করে বন্ধু শহীদুলকে নিয়ে সাইনবোর্ডের উদ্দেশে রওনা হন। রতন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘উপায় নাই। কাইলকার (আজ) মধ্যে কারখানায় হাজিরা দিতে হইবো। না গেলে চাকরি থাকবো না। কিছু না পাইলে হাইট্টা যাইতে হইবো। আমরার মতো অনেকের এই অবস্থা।’
গতকাল রাজধানীর অন্যতম প্রবেশপথ যাত্রাবাড়ীসহ ডেমরা, সায়েদাবাদ, চিটাগাং রোড ও সাইনবোর্ড এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে। সড়কের দুপাশে ব্যাগ, গাট্টি, বোঁচকা নিয়ে কেউ হাঁটছিলেন, আবার কেউ ছিলেন দাঁড়িয়ে। সড়কগুলোতে প্যাডেলচালিত রিকশা, ভ্যান ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কদর ছিল চোখে পড়ার মতো। গন্তব্যে যেতে যাত্রীদের ভাড়াও গুনতে হয়েছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ বা তিনগুণ বেশি। উপায় না দেখে অনেকে ভাগাভাগি করে রিকশায় করে রওনা হন। যারা তাও পারেননি তারা হেঁটে গন্তব্যে ছোটেন।
পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীতে নিত্য কোলাহলপূর্ণ থাকে সায়েদাবাদ এলাকা। কিন্তু গতকাল দুপুর সোয়া ১টার দিকে সেখানে দেখা যায় সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। খাঁ খাঁ করছিল চারদিক। কয়েকজন পরিবহন শ্রমিক জানান, বিধিনিষেধে দূরপাল্লার কোনো বাস সেখান থেকে ছাড়েনি, কোনো বাস আসেওনি। তবে এর মধ্যেও জরুরি প্রয়োজনে ঢাকা ছাড়তে অনেকে এসেছিলেন এই আশায়, যদি কোনো বাস ছাড়ে। তাদেরই একজন আরিফুর রহমান। একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে মার্কেটিং বিভাগে কাজ করেন। আলাপকালে জানা গেল, তার কর্মস্থল চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে। দুদিন আগে জরুরি কাজে গিয়েছিলেন রংপুরে। সেখান থেকে গত বৃহস্পতিবার রাতে বাসে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। ভোরে ঢাকার অদূরে আমিনবাজারে ওই বাসের যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর অনেক কষ্টে আসেন সায়েদাবাদ। উদ্দেশ্যে, সেখান থেকে যাবেন কুমিল্লা। পরে কুমিল্লা থেকে হাজীগঞ্জ। কিন্তু সকাল থেকে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো যানবাহন পাননি।
ঢাকায় ফিরতে ভোগান্তির পাশাপাশি গতকালও নানা প্রয়োজনে ঢাকা ছাড়ার চেষ্টা করেছেন অসংখ্য মানুষ। যাত্রাবাড়ী এলাকায় এরকম বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয় দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদকদের। স্বজনদের অসুস্থতা ও মৃত্যু সংবাদসহ বিভিন্ন কারণে গ্রামের বাড়ি যাওয়াসহ নানা জরুরি কাজে তারা ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও কোনো যানবাহন না থাকায় পড়েছিলেন বিপত্তিতে। তাদেরই একজন আবদুর রহমান (২৮)। নরসিংদীতে একটি টেক্সটাইলস মিলসে সহকারী অপারেটর হিসেবে কাজ করেন। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি নড়াইলের কালিয়া যেতে পারেননি। ইতিমধ্যে পেয়েছেন বাবার অসুস্থতার খবর। ভোরে নরসিংদী থেকে কিছুটা পথ রিকশায় আবার কিছুটা পথ হেঁটে দুপুর ১টার দিকে কোনোমতে যাত্রাবাড়ী এসেছেন মাওয়া যাওয়ার উদ্দেশে। কিন্তু হতাশই হতে হয়েছে তাকে। আবদুর রহমান বলেন, ‘বাবা খুব অসুস্থ। খুব জরুরি। যেকোনো মূল্যে যেতেই হবে আমাকে। ভেবেছিলাম মাওয়া হয়ে খুব তাড়াতাড়ি গ্রামের বাড়ি যেতে পারব। কিন্তু মাওয়া যাওয়ার মতো কোনো যান এখনো পাচ্ছি না।’
সদরঘাটে পৌঁছেও কমেনি ভোগান্তি : করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে গ্রামে গিয়েছিলেন দক্ষিণাঞ্চলে লাখ লাখ মানুষ। লকডাউন এবার ‘কঠোরতম’ হবে এমন ধারণা থেকে ঈদের আগে রাজধানী ছেড়ে যাওয়াদের বড় একটি অংশ দ্রুতই ঢাকায় ফিরেছে। তবে গতকাল সকাল ৬টার পর সব ধরনের যানবাহন বন্ধ থাকায় লঞ্চঘাটে এসে বিপাকে পড়েন এসব যাত্রী। কেউ হেঁটে অথবা ১৫-১৭ গুণ বেশি ভাড়ায় বিকল্প বাহনে গন্তব্যে যেতে হয়েছে। গতকাল রাজধানীর সদরঘাটে এমনই চিত্র দেখা যায়।
সদরঘাটে বরিশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর ও চাঁদপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নৌযানগুলোতে ছিল উপচেপড়া যাত্রী। দেড় থেকে দ্বিগুণ বেশি ভাড়া আদায় করা হলেও কোনো লঞ্চেই মানা হয়নি স্বাস্থ্যবিধি। লঞ্চের ডেক থেকে শুরু করে ছাদ পর্যন্ত যাত্রী তোলা হয়। মধ্যরাতে নৌযানগুলো যাত্রী নামিয়ে দেওয়ায় হয়রানি ও বিড়ম্বনায় পড়তে হয় যাত্রীদের। গুনতে হয় বাড়তি ভাড়া। মধ্যরাতে যারা পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফেরেন তারা নিরাপত্তার অভাবে যাত্রী ছাউনিতেই অবস্থান করলেও ভোর হতেই পড়েন মহাবিপাকে। ভোলা থেকে ছেড়ে আসা তাফসির লঞ্চে সকাল ৬টার পর সদরঘাট এসে পৌঁছান আফজাল হোসেন। সঙ্গে ছিল স্ত্রী ও দুই মেয়ে। আফজাল দুই হাতে ব্যাগ আর স্ত্রী কোলে ছোট মেয়ে নিয়ে ছুটেছেন গন্তব্য মতিঝিল রেলওয়ে কলোনির দিকে।
আফজাল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এক ঘণ্টা গাড়ির জন্য সদরঘাটে ছিলাম। রেলওয়ে কলোনি পর্যন্ত রিকশা ভাড়া চেয়েছে দেড় হাজার টাকা। ৫০০ টাকা বলেছি, তবুও কেউ রাজি হয়নি। অথচ এর আগে ১০০ টাকা হলেই যাওয়া যেত। কোনো উপায় না পেয়ে হেঁটেই যেতে হচ্ছে। এতে করে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ছোট ছোট বাচ্চা আর ব্যাগ নিয়ে বাকি রাস্তাটুকু কীভাবে যাব বুঝতে পারছি না।’
বরিশাল থেকে থেকে আসা কাকলি আক্তার নামে আরেক যাত্রী বলেন, ‘ছোট দুই বাচ্চা নিয়ে রাত ৪টা থেকে বসে আছি। এত মানুষের ভিড় ঠেলে গাড়িতে ওঠা সম্ভব হয়নি। তাই অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু এখন তো কোনো গাড়িই নাই। কীভাবে গাজীপুর যাব? এমন হইলে কালকে লঞ্চ ছাড়ল কেন?’
গুলিস্তানে রিকশার জন্য অপেক্ষারত আবদুল্লাহ নামে এক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সদরঘাটে রিকশা না পেয়ে গুলিস্তান পর্যন্ত হেঁটে এসেছি। এখন দেখি এখানেও রিকশা নেই। এক ঠেলাগাড়ি বাড্ডা পর্যন্ত ভাড়া চায় ৭০০ টাকা। দক্ষিণবঙ্গের লঞ্চগুলো ভোর ৬টার পর ঢাকা পৌঁছবে জেনেও প্রশাসন কেন সেগুলো ছাড়ার আগে বন্ধ করল না? যদি সেগুলো বন্ধ করে দিত, তাহলে আমরা লকডাউনে ঢাকায় আসতাম না এবং এই ভোগান্তির মধ্যে পড়তাম না।’
ঢাকা নদী বন্দরের কর্মকর্তারা জানান, প্রতিদিন রাজধানীর সদরঘাট থেকে ৪৩টি রুটে ৮০-৯০ যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করে। গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ১০০টির বেশি লঞ্চ এসেছে। ঢাকা নদী বন্দরের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জয়নাল আবেদীন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘যাত্রীদের যাতে ভোগান্তিতে না পড়তে হয় সেজন্য সড়ক পরিবহন মালিক সমিতিকে চিঠি দিয়েছি। তারা বাস কম দেওয়াতে যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছে। এর দায় আমাদের নয়।’
