অফিসের কাজ রাত জেগে নয়

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ০৯:১৫ এএম

ডেডলাইনের আগেই শেষ করতে অনেকে রাতের পর রাত জেগে অফিসের কাজ করেন। একটানা রাত জেগে কাজ করার অভ্যাস থাকলে তা শরীরের নানাভাবে ক্ষতি করতে পারে। ঘুমানোর রুটিনে ব্যাঘাত, খিদে নষ্ট হওয়া, রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার মতো নানা উপসর্গ দেখা দেয়।

অনেক বড় শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

কিন্তু হাতে যদি কাজের চাপ থাকে, তাহলে সামাল দিতে রাত জেগে কাজ তো করতেই হবে। টাইম ম্যানেজমেন্ট করতে পারলে এই সমস্যায় আর পড়তে হবে না।

আপনার যদি বিশেষ করে নাইট শিফটের কাজ না হয় তাহলে শিখে নিন কীভাবে অফিসের সময়টা পুরোটা কাজে লাগাবেন আর বাকি সময়টা্ও পরিবার ও অন্য কাজে বরাদ্দ থাকবে।

কাজের রুটিন: আজকের দিনে আপনার হাতে কী কী কাজ আছে, আর কোন কাজগুলো আজই সেরে ফেলতে হবে তার একটা লিস্ট বানিয়ে রাখুন আগের রাতে। যদি হাতে অনেক কাজ জমে থাকে, তাহলে রাত না জেগে বরং ভোরবেলা উঠুন। সকালের দিকে আপনার এনার্জি লেভেল বেশি থাকে, আর চারপাশটাও নিরিবিলি থাকে। তখন মন দিয়ে কাজ করতে পারবেন।

প্রায়োরিটি ঠিক করা: কোন কাজটা আগে জমা দিতে হবে, কোনটা দু'দিন পরে দিলেও চলবে, সেটা ঠিক করে নিন। এবার প্রতিটি কাজের জন্য সময় বেঁধে নিন মনে মনে এবং চেষ্টা করুন সেই সময়ের মধ্যে কাজটা শেষ করতে।

কাজ নিয়ে বসে না থাকা: কাজের ফাঁকে অনেকেরই একটু গেম খেলা, একটু সোশাল মিডিয়া দেখার অভ্যাস থাকে। হালকা ব্রেক নিতে একটু আধটু এসব করতেই পারেন, কিন্তু এটাই যেন নিয়ম হয়ে না যায়। তা হলে কিন্তু সময় নষ্ট হবে আর কাজের বোঝা বাড়তেই থাকবে। সারাদিনে ওয়ার্কিং আওয়ারের মধ্যে পনেরো মিনিটের বেশি সোশাল মিডিয়া বা গেমের পেছনে নষ্ট করবেন না। বরং দ্রুত কাজগুলো সেরে ফেলুন, তারপর ইচ্ছেমতো অবসর কাটান।

জটিল কাজগুলো আগে: সহজ কাজগুলো পরে করবেন, অপেক্ষাকৃত সময়সাপেক্ষ কাজ বা যে কাজ করতে অপরের সহযোগিতা প্রয়োজন, সেগুলো আগে শেষ করুন। তাতে মাথা থেকে বোঝা নেমে যাবে, সহজ কাজগুলো চটপট করে ফেলতে পারবেন।

অনেক সময়ই আমাদের সহকর্মীরা নিজেদের কাজ আমাদের উপর চাপিয়ে দেন। সব ক্ষেত্রে না বলা সম্ভব নয়, কিন্তু প্রয়োজনে অবশ্যই 'না' বলুন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত