দেশে সর্বশেষ গত ১৪ জুলাই শেষ হওয়া ১৪ দিনের ‘লকডাউনের’ তাৎপর্যপূর্ণ কোনো প্রভাব করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দেখা যায়নি। উল্টো ঈদের কারণে আট দিনের জন্য সবকিছু খুলে দেওয়ায় শনাক্ত রোগী ১০-১১ হাজার থেকে ঈদের পর একধাক্কায় ১৫-১৬ হাজারে পৌঁছে যায়। এমনকি গত ২৩ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় দফায় ১৪ দিনের ‘লকডাউনের’ এক সপ্তাহ শেষে এখনো সংক্রমণের উচ্চহার চলছে দেশে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ‘লকডাউন’ শুরুর আগে গত জুনের শেষ সপ্তাহে দৈনিক রোগী শনাক্তের হার ছিল ২২ দশমিক ৪২ শতাংশ। এ মাসে প্রথমে ১৪ ও গত ৭ দিন ‘লকডাউন’ শেষেও গত সাত দিন ধরে দৈনিক শনাক্ত হার বেড়ে ৩০ দশমিক ১৩ শতাংশ হয়েছে।
এমনকি গত সাত দিনে গত মাসের শেষ সপ্তাহের তুলনায় রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। এ মাসে ‘লকডাউন’ শুরুর আগে গত মাসের শেষ সপ্তাহে যেখানে দৈনিক রোগী শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ৬২৬ ও দৈনিক মৃত্যু ছিল ৮৮ জন করে; সেখানে গত সাত দিন ধরে দৈনিক রোগী শনাক্ত হচ্ছে দ্বিগুণেরও বেশি ১৩ হাজার ৩৬৪ জন করে এবং তিনগুণ মৃত্যু বেড়ে এখন দৈনিক মারা যাচ্ছে ২৩১ জন করে।
সংক্রমণের এমন উচ্চহারের মধ্যে আগামীকাল থেকে চলমান ‘লকডাউনের’ মধ্যেই সরকার গার্মেন্টসহ সব রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ব্যাপারে গতকাল শুক্রবার বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ১ আগস্ট রবিবার থেকে গার্মেন্টসসহ রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে।
সরকারের এমন সিদ্ধান্তের কারণে দেশে করোনার সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হলো বলে মনে করছে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, কভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি এবং সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তাদের মতে, এই মুহূর্তে কলকারখানা খুললে সংক্রমণ আরও বাড়বে। তাই সরকারের উচিত চলমান বিধিনিষেধ আরও কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া এবং চলমান ‘লকডাউন’ আরও বাড়ানো।
এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সরকারের কাছে আগামী ৫ আগস্ট ‘লকডাউন’ তুলে না নিয়ে বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে সরকার এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি গতকাল রাতে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘৫ আগস্টের পর লকডাউন অব্যাহত রাখার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো আমাদের কাছে নেই। সবকিছুই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে পরিস্থিতি বিবেচনা করে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আজ (গতকাল) একটা প্রজ্ঞাপন গেছে। আমাদের রপ্তানিমুখী কলকারখানা আছে, তাদের মালিকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেগুলো তারা ১ আগস্ট থেকে চালাতে পারবেন। এর বাইরে লকডাউন বাড়ানো বা অন্য যেকোনো সিদ্ধান্ত কী হবে, সেটা ৩ বা ৪ আগস্ট জানাতে পারব। বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন প্রস্তাবনা থাকবে। সেগুলো প্রধানমন্ত্রী আমাদের যেভাবে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেভাবেই হবে। তবে পরিস্থিতির যাতে উন্নতি করতে পারি, সেজন্য যেটা করলে ভালো হবে, সেভাবেই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে লকডাউন বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী অবস্থা বুঝে সেটা বিবেচনা করবেন। তবে একবারে হয়তো সবকিছু খোলা হবে না। পরিস্থিতি বুঝে সবকিছু করতে হবে।’
কলকারখানা খোলার বিপক্ষে কারিগরি কমিটি : শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার ব্যাপারে কভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো, যেহেতু এটা খুলে দেওয়া হলো এবং কয়েক লাখ শ্রমিক কাজে যোগদান করবে, যারা ঢাকায় আসেনি তারা আসবে। এ সময় সংক্রমণের ঝুঁকিটা বাড়বে। তবে বারবার কারখানামালিকরা যেটা বলেন, শ্রমিকদের এখানে-ওখানে থাকা ও ঘোরাঘুরি বন্ধ করে কারখানার মধ্যে রাখবেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করাবেন, সেটা যদি মানাতে পারে তাহলে সংক্রমণ ঝুঁকিটা থাকলেও কম বাড়বে। তা না হলে যদি দেখা যায় কলকারখানা খুলল ও স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই, তাহলে সংক্রমণ বাড়ার ঝুঁকিটা অবশ্যই বেশি।’
লকডাউন বাড়ানোর ব্যাপারে কমিটির সভাপতি বলেন, ‘আমাদের সুপারিশ দেব ৫ আগস্ট চলমান লকডাউন শেষ হওয়ার এক-দুই দিন আগে। তখন সংক্রমণ পরিস্থিতি দেখে সুপারিশের সিদ্ধান্ত নেব।’
ঈদের জন্য সংক্রমণ বেড়েছে বলে মনে করছে আইইডিসিআর : সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলমগীর দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘প্রথম দফায় ১৪ দিন ও দ্বিতীয় দফায় শুরু হওয়া লকডাউন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে। তা না হলে সংক্রমণ ৩৫-৪০ শতাংশ হয়ে যেত। লকডাউনের পর সংক্রমণ একটা জায়গায় স্থির হয়েছিল। ঈদের জন্য সবকিছু খুলে দেওয়ার কারণে এখন আবার সংক্রমণ একটু বাড়ছে। তবে বাড়ার পরও এর হার ২৭-৩১ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। লকডাউনের কারণে সংক্রমণ চূড়ায় উঠে আর বাড়ছে না। এখন আমরা যদি ঠিকমতো স্বাস্থ্যবিধি ও বিধিনিষেধ মেনে চলি তাহলে চূড়া থেকে সংক্রমণ নামার কথা।’
কলকারখানা না খুলে বিধিনিষেধ আরও কঠোর করার পরামর্শ : আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এখন তো সারা দেশেই সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তির দিকে। এই মুহূর্তে বিধিনিষেধ সবাই পালন করছে কি না সেটা দেখার কথা ও বিধিনিষেধ মানতে মানুষকে সাহায্য করার কথা। সে ক্ষেত্রে শিথিলতা যেখানে যত প্রয়োজনেই করা হোক না কেন, তাতে ঝুঁকি তো অবশ্যই বাড়াবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।’
প্রথম দফার ১৪ দিনের বিধিনিষেধের পর মাঝখানে আট দিনের শিথিলতার কারণে সংক্রমণ পরিস্থিতির ওপর সেই বিধিনিষেধের তাৎপর্যপূর্ণ কোনো প্রভাব দেখা যায়নি বলে মনে করেন এ বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন, ‘এরপর গত ২৩ জুলাই থেকে আবার ১৪ দিনের বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। সেটার প্রভাব দেখার জন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। তবে ঈদে শিথিলতার কারণে এখন সংক্রমণের উচ্চহার দেখছি এবং একধাক্কায় রোগী শনাক্ত ১৫ থেকে ১৬ হাজারে পৌঁছেছে। গত ২৩ জুলাই থেকে যে বিধিনিষেধ সেটা দুই সপ্তাহ পর বোঝা যাবে কী হয়। তবে খুব একটা কমবে বলে মনে হয় না। কারণ এখন যে ধারা দেখছি, সেটা কমার খুব একটা লক্ষণ নেই। আর এক-দুই হাজার রোগী কমা কোনো বিষয় নয়। কারণ একধাক্কায় ১৫-১৬ হাজারে উঠে যদি সেটা কমতে কমতে দুই-এক হাজারের নিচে যায়, তবেই তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব বলা যাবে।’
এ বিশেষজ্ঞ সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘এখন সংক্রমণের যে উচ্চহার, তাতে বিধিনিষেধ ও কলকারখানা, অফিস-আদালত বন্ধের পাশাপাশি প্রতিটি শনাক্ত রোগীকে ব্যবস্থাপনায় আনতে হবে। সংক্রমিত হয়েই মানুষ হাসপাতালে যাচ্ছে না, বাইরেই থাকছে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইইডিসিআরের সক্ষমতা সেই পরিমাণ বাড়াতে হবে, তারা যেন গত ২৪ ঘণ্টায় যে ১৩ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন, তাদের যেন তিন দিনের মধ্যে টেলিফোনের মাধ্যমে ফলোআপ করতে পারে। পাশাপাশি চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্য বাতায়ন থেকে ফলোআপ করতে হবে। এ দুই জায়গায় তারা কাজ করছেন, তবে সক্ষমতার অভাবে কুলিয়ে উঠতে পারছে না। এ ফলোআপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি বলেন, ‘রোগীকে ফলোআপের পাশাপাশি আইসোলেশন করতে হবে। এজন্য মানুষকে সহযোগিতা দিতে হবে। তা না হলে তারা আইসোলেশন করবে না। প্রশাসন মানুষের কাছে গেলে যেন মানুষ খুশি হয়। করোনা পরীক্ষা ও আইসোলেশনের ব্যাপারে মানুষের মধ্যে ভীতি দূর করতে হবে।’
এই বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘যাতায়াত বন্ধের পাশাপাশি প্রতিটি শনাক্ত রোগীকে ব্যবস্থাপনায় আনলে সংক্রমণ কমে আসবে। এর সঙ্গে টিকা তো আছেই। যেহেতু সংক্রমণ বেড়ে গেছে, তাই টিকার ব্যাপারে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে।’
ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘যদি সংক্রমণ ও মৃত্যু পরিস্থিতির উন্নতি না হয়, তাহলে এটা তো যৌক্তিক যে বর্তমান বিধিনিষেধকে আরও চালানো এবং এ বিধিনিষেধ যেন সবাই মেনে চলতে পারে, সেভাবে দেখা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এগুলো করতে হবে। যে যুক্তিতে গত ২৩ জুলাই বিধিনিষেধ চালু করা হলো, সেটার অবস্থার যদি কোনো পরিবর্তন করতে না পারি, তাহলে সেই বিধিনিষেধ তুলে দেওয়ার কোনো যুক্তি নেই। কারণ এর আগে সাত দিন বিধিনিষেধ তুলে দিয়ে একধাক্কায় রোগী ১৬ হাজার ও মৃত্যু আড়াইশ পার হয়ে গেল। কাজেই চলমান বিধিনিষেধ আরও অব্যাহত রাখা দরকার এবং মানুষ যাতে বিধিনিষেধ আরও ভালোভাবে পালন করতে পারে, সে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’
কঠোর বিধিনিষেধ আরও বাড়াতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর : করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামী ৫ আগস্টের পরও কঠোর বিধিনিষেধ বাড়াতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকাল অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, ‘বিধিনিষেধ বর্ধিত করার কথা বলেছি। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। শুধু অতিজরুরি সেবা ছাড়া যেভাবেই হোক সবকিছু সীমিত রাখতে হবে। এগুলো মনিটর করতে হবে। সব খুলে দিলে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাবে।’
আগামীকাল থেকে খুলছে শিল্পকারখানা : সরকারের রপ্তানিমুখী শিল্পকলকারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে বিজিএমইএসহ রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানার মালিকরা। তারা বলেছেন, খুব স্বল্প সময়ে খোলার নির্দেশনা দেওয়ায় কারখানা আশপাশে বসবাসকারী শ্রমিকদের দিয়ে শিল্পকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম চালু করা হবে। তবে এ সময়ের মধ্যে যেসব শ্রমিক কাজে যোগ দিতে পারবেন না তাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হবে না বলে জানিয়েছেন তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান। তিনি বলেন, ‘কঠোর বিধিনিষেধ শেষ হলে পর্যায়ক্রমে ঈদের ছুটিতে গ্রামে যাওয়া শ্রমিকরা কারখানায় কাজে যোগ দেবেন। এ সময়ে যেসব শ্রমিক কারখানায় আসতে পারবেন না তাদের চাকরিতে কোনো সমস্যা হবে না।’
গতকাল বিজিএমইএ সহসভাপতি শহিদুল্লাহ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এবারের কোরবানির ঈদের পরেই অধিকাংশ শ্রমিক গ্রাম থেকে ফিরেছেন। অনেকে ঢাকা থেকে গ্রামেও যাননি। আপাতত যারা কর্মস্থলে আছেন তাদের দিয়েই কারখানা চালু হবে। প্রায় ৭০-৭৫ শতাংশ শ্রমিক কর্মস্থলে আছেন। যারা আসতে পারেননি তারা সরকার সাধারণ পরিবহন খুলে দিলে আসতে পারবেন। তাদের চাকরি বা বেতন নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না।’
এদিকে রপ্তানিমুখী সব শিল্পকারখানাকে কঠোর বিধিনিষেধের আওতাবহির্ভূত রাখায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নিটওয়্যার মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আশপাশ এলাকায় বসবাসকারী শ্রমিকদের দিয়ে আপাতত রবিবার থেকে কারখানা চালু হবে। কারখানা খোলা হলেই বোঝা যাবে কত শ্রমিক এখনো কর্মস্থলে পৌঁছতে পারেননি। এখন খুব বেশি শ্রমিক কর্মস্থলের বাইরে নেই। যারা নেই বা ঢাকার বাইরে থেকে আসবেন সেসব এলাকার জেলা প্রশাসককে আমরা অনুরোধ করব যেন আইডি কার্ড দেখে তাদের আসতে দেয় এবং পরিবহনের ব্যবস্থা করলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। এখন কাজের প্রচুর চাপ, আমাদের শ্রমিক দরকার। সুতরাং কারখানা চালু করাটাই আমাদের লক্ষ্য।’
