চাহিদা থাকলেও মজুদ নেই চট্টগ্রামে টিসিবি পণ্যের

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ১১:৫৬ পিএম

টানা লকডাউনে সাধারণ মানুষের আয় কমলেও ভাটা পড়েনি নিত্যপণ্যের চাহিদায়। আয়-ব্যয়ে সামঞ্জস্য আনতে চট্টগ্রাম নগরীর নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ কমদামে পণ্য কিনতে ঝুঁকছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ট্রাক সেলে। কিন্তু চাহিদার বিপরীতে পণ্য কম থাকায় দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষার পরও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে অনেককে।

করোনা মহামারীতে সাধারণ মানুষের কাছে কমদামে নিত্যপণ্য পৌঁছে টিসিবি চট্টগ্রামে ট্রাক সেল চালু রাখার কথা বললেও সেটা চলছে নামকাওয়াস্তে। নগরীতে ট্রাকযোগে পণ্য বিক্রি হচ্ছে ৮ স্পটে। আবার ট্রাকগুলোয় দৈনিক যে পরিমাণ পণ্য বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। ফলে টিসিবির পণ্য পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ।

ঈদুল আজহা সামনে রেখে সাধারণ মানুষের হাতে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য তুলে দিতে ট্রাকের মাধ্যমে মহানগরীর অন্তত ২০টি স্থানে খোলাবাজারে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি শুরু করে টিসিবি। ঈদের আগের ও পরের এক সপ্তাহ বন্ধের পর ২৬ জুলাই থেকে আবারও বিক্রি শুরু হলেও  হঠাৎ কমিয়ে দেওয়া হয় ট্রাকের সংখ্যা। এখন নগরীর মাত্র আটটি স্পটে প্রতিদিন একটি করে ট্রাক নির্ধারিত পণ্য বিক্রি করছে। প্রতি ট্রাকে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ৬০০ কেজি চিনি, ৪০০ লিটার সয়াবিন তেল ও ৫০০ কেজি মসুর ডাল।

ভুক্তভোগীরা জানান, ঈদের আগে যেসব স্পটে পণ্য বিক্রি হতো ঈদের পরেও সাধারণ মানুষ সেখানে পণ্য কেনার অপেক্ষায় থাকে। কিন্তু টিসিবি সেখানে কোনো ট্রাক না রাখায় খালি হাতে ফিরতে হয় নিম্নবিত্তদের। আবার যেসব স্পটে ট্রাক সেল চলছে সেখানেও চাহিদানুযায়ী পণ্য না থাকায় দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকে জিনিস কিনতে পারছেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

টিসিবি চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান জামাল উদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন,  কোরবানি ঈদের আগে নগরীর ২০-২২টি স্পটে টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য বিক্রি হয়েছিল। কিন্তু পণ্যের মজুদ কমে যাওয়ায় ওই পরিমাণ ট্রাক বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এখন নগরীর ৮টি স্পটে চিনি, তেল ও মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে। চাহিদার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, আমাদের গোডাউনে আরও পণ্য আসছে। পণ্য আসার পর আগামী ১১ আগস্ট থেকে ট্রাকের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত