জালিয়াতির অভিযোগে ভোলার এক মাদ্রাসার এমপিও স্থগিত

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২১, ০২:১৫ এএম

জালিয়াতির অভিযোগে ভোলার ‘লালমোহন ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা’র এমপিও স্থগিত করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির এমপিও কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না এবং ফৌজদারি অপরাধের জন্য গভর্নিং বডির সভাপতি ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ৮ আগস্টের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দাখিল করতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার মাদ্রাসা শিক্ষাঅধিদপ্তরের অফিস আদেশে এসব কথা বলা হয়।

এতে বলা হয়, ‘গত বছর ২৫ ডিসেম্বর লালমোহন কামিল মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয় জালিয়াতি করে। অবৈধভাবে নিয়োগ সম্পন্ন করে গত জুলাই মাসে অনলাইনে এমপিওভুক্তির আবেদন পাঠানো হয়। এমপিওর জন্য পাঠানো ওই আবেদন যাচাই করে দেখা যায়, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে ১৫ ডিসেম্বর নিয়োগ বোর্ড  অনুষ্ঠানের জন্য মহাপরিচালকের প্রতিনিধি মনোনয়ন দেওয়া হয়। কিন্তু নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হয় ২৫ ডিসেম্বর। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে কথিত প্রতিনিধি তৈরি করে অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং অনলাইনে এমপিও আবেদন করা হয়, যা সুস্পষ্ট জালিয়াতি।’

এর আগে সহকারী গ্রন্থাগারিক নিয়োগেও এমন ধরনের জালিয়াতি ধরা পড়ায় গত ২৬ জুলাই ৫টি দাখিল মাদ্রাসার এমপিও স্থগিত করে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। এমপিও স্থগিত হওয়া মাদ্রাসাগুলো হচ্ছে, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার উত্তর চরমানিকা লতিফিয়া দাখিল মাদ্রাসা, আমিনাবাদ হাকিমিয়া দাখিল মাদ্রাসা, দক্ষিণ আছলামপুর মোবারক আলী দাখিল মাদ্রাসা, ভোলার লালমোহন উপজেলার কুন্ডের হাওলা রশিদিয়া দাখিল মাদ্রাসা এবং ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আছলামপুর মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসা। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনার মধ্যে গভর্নিং বডি এই অবৈধ নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত