নারায়ণগঞ্জে কারখানায় আগুন

আরও ২১ লাশ হস্তান্তর আজ

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২১, ০১:৪২ এএম

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগুনে পুড়ে নিহতদের মধ্যে আরও ২১ জনের লাশ আজ শনিবার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। গত বুধবার ২৪ জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে এখনো পরিচয় শনাক্ত না হওয়া তিনটি লাশের বিষয়ে কিছুই জানায়নি শনাক্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গের সহকারী সেকেন্দার আলী জানান, গতকাল বিকেলে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গের ফ্রিজারে রাখা ১৫টি লাশ নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে। আর ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগের ফ্রিজারে থাকা আটটি লাশও মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। এছাড়া ঢামেক মর্গে ছিল আরও একটি লাশ। হস্তান্তরের বাকি থাকা এ ২৪টি লাশের মধ্য থেকে ২১টি লাশ শনিবার মর্গ থেকেই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান জানান, রূপগঞ্জের আগুনে নিহতদের মধ্যে ২১টি লাশ শনিবার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে ২৪টি লাশ হস্তান্তর করার সময় সাংবাদিকদের সিআইডির অ্যাডিশনাল ডিআইজি ইমাম হোসেন জানান, নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৮টি পোড়া মৃতদেহ শনাক্তের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষার মাধ্যমে ৪৫ লাশের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বাকি তিনটি লাশের পরিচয় শনাক্ত প্রক্রিয়াধীন।

শনিবার যে ২১টি লাশ হস্তান্তর হবে তারা হলেনÑ কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলার রঘুনন্দনপুর গ্রামের মৃত আবদুল মালেকের মেয়ে মাহমুদা আক্তার, করিমগঞ্জ উপজেলার আবদুল কুদ্দুসের মেয়ে রহিমা আক্তার, সদর উপজেলার গাগলাইল গ্রামের মঞ্জুর স্ত্রী মিনা খাতুন, সদর উপজেলার চিংড়িরচর গ্রামের মুর্শিদ মিয়ার মেয়ে আমেনা আক্তার, কটিয়াদী উপজেলার চান্দু মিয়ার মেয়ে রাবেয়া আক্তার, সদর উপজেলার চৌদ্দশত বগালেরপাড় গ্রামের মো. সেলিমের মেয়ে রহিমা ওরফে রাহিমা, সদর উপজেলার কালিয়ারকান্দা গ্রামের চান মিয়ার ছেলে নাজমুল হোসেন, মিঠামইন উপজেলার মোহাম্মদ সেলিমের মেয়ে সেলিনা আক্তার, কটিয়াদী উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের বাচ্চু মিয়ার মেয়ে তাসলিমা আক্তার, করিমগঞ্জের মুথরাপাড়া গ্রামের আ. কাউয়ুমের মেয়ে ফাকিমা আক্তার, ভোলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে নোমান, একই জেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরহরিশ গ্রামের হাফেজ ফখরুল ইসলামের ছেলে মো. শামীম, চরফ্যাশন উপজেলার আবদুল্লাহপুর গ্রামের মো. ফজলুর রহমানের ছেলে হাসনাইন, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার মুইরা চরন সরকারের মেয়ে শেফালী রানী সরকার, একই উপজেলার সেলিম মিয়ার স্ত্রী আমৃতা বেগম, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার পূর্বরাম গ্রাম মৃত জাকির হোসেনের মেয়ে শান্তা মনি, রাজশাহীর বাঘা উপজেলার তেঁতুলিয়া সিকদারপাড়া গ্রামের গকুল শিকদারের ছেলে মাহবুবুর রহমান, জামালপুরের সদর উপজেলার গোডারকান্দা গ্রামের শওকত হোসেনের ছেলে জিহাদ রানা, নোয়াখালীর দক্ষিণ হাতিয়া থানার নতুন শুকচর গ্রামের বাহার উদ্দিনের ছেলে আকাশ মিয়া, মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার চানপুর গ্রামের পরভা চন্দ্র বর্মণের মেয়ে চম্পা রানী বর্মণ ও নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পানিয়ালপুকুর দোলাপাড়া গ্রামের মনকার হোসেনের ছেলে স্বপন মিয়া।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত