বেসিক ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের ঘটনার পর এখন পর্যন্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানভেদে খাতওয়ারি সুনির্দ্দিষ্টভাবে কত টাকা উদ্ধার হয়েছে তা জানতে চেয়েছে উচ্চ আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কৌঁসুলিকে আদেশের এক সপ্তাহের মধ্যে (১৮ আগস্ট) এ বিষয়ে জানাতে বলেছে হাইকোর্ট। বেসিক ব্যাংকে ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় আলাদা মামলায় এক আসামির করা জামিন আবেদনের শুনানিতে গতকাল বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ তথ্য জানতে চায়।
আদালত অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী চৌধুরীকে দুই মামলায় জামিন দিয়ে অপর পাঁচ মামলায় জামিন আবেদনের শুনানি এক সপ্তাহ মুলতবি করে পরবর্তী শুনানির জন্য ১৮ আগস্ট দিন রেখেছে।
ভার্চুয়ালি জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সগির হোসেন লিয়ন। দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। বেসিক ব্যাংকে ঋণ জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ৫৬টি মামলা করে দুদক। এতে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়। অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আদালত আমাকে বলেছেন, বেসিক ব্যাংকে খাতওয়ারি কত টাকা আত্মসাৎ হয়েছে এবং এর মধ্যে কত টাকা আদায় হয়েছে, সেটি ১৮ তারিখের (১৮ আগস্ট) মধ্যে জানাতে হবে।
