দাম বেড়ে দেশে চালের বাজার অস্থিতিশীল হওয়ায় দাম নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে আমদানি শুল্ক কমিয়ে বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এমন পরিস্থিতিতে ভারত থেকে চাল আমদানির খবরে মিল মালিকরা তাদের মজুদ করা চাল বাজারে ছেড়ে দিচ্ছেন। আর এর প্রভাবে দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলিতে চালের দাম কেজিতে কমেছে ২ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত। এদিকে চালের দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে। গতকাল বুধবার হিলিতে চালের পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
গতকাল হিলির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব দোকানেই চালের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। তবে ভারত থেকে চাল আমদানির খবরে বাজারে চালের ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে। সব ধরনের চালের দাম কেজিপ্রতি ২ থেকে ৪ টাকা করে কমেছে। ২৮ জাতের চালের দাম কমে বর্তমানে ৪৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত কয়েক দিন ধরে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল। এ ছাড়া মিনিকেট জাতের চালের দাম কমে ৫০ থেকে ৫২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত কয়েক দিন ধরে ৫৬ থেকে ৫৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল।
হিলি বাজারে চাল কিনতে আসা দিনমজুর ইসরাইল হোসেন দাম কমায় স্বস্তি প্রকাশ করে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘একে তো করোনার কারণে কাজকর্ম তেমন না থাকায় আয়-রোজগার আগের চেয়ে কমে গেছে। এমন অবস্থায় যেভাবে আমাদের গরিবের খাওয়ার মোটা চালের দাম বাড়ছিল তাতে করে আমাদের মতো মানুষদের চরমভাবে বিপাকে পড়তে হয়েছে। তবে ভারত থেকে চাল আমদানির খবরে কেজিপ্রতি চালের দাম ২ থেকে ৪ টাকা করে কমেছে। আমরা এতকিছু বুঝি না, সরকার আমদানি করবে বা অন্য কিছু করবে করুক, আমরা চাই চালের দাম যেন কম থাকে।’
