আগামী বছর ১০ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর চীনের হাংঝু শহরে অনুষ্ঠিত হবে ১৯তম এশিয়ান গেমস। গত তিনটি এশিয়াডের হতাশা কাটিয়ে হাংঝু থেকে পদক জয়ের পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন। এরই মধ্যে পুরুষ দলের দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্পও শুরু হয়েছে।
বিভিন্ন সার্ভিসেস ও জেলার ৫০ খেলোয়াড় নিয়ে ২০ আগস্ট থেকে আবাসিক ক্যাম্প শুরু হয়েছে কাবাডি কমপ্লেক্সে। সাবেক ফিফা রেফারি সুজিত ব্যানার্জি চন্দনের অধীনে ফিটনেস ট্রেনিং চলছে। কিছুদিনের মধ্যেই ফিটনেস ট্রেনার হিসেবে আসবেন তামিলনাড়ু–স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের রামেশ ভি।
খেলোয়াড়দের খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে পুষ্টিবিদ ডা. মোহাম্মদ রাজু আহমেদকে। বিমান চলাচল শুরু হলেই চলে আসবেন ভারতীয় কোচ সাজুরাম গয়াত।
২০১৯ কাঠমান্ডু এসএ গেমসের জন্য দিল্লি ও হরিয়ানায় প্রায় সোয়া কোটি টাকা ব্যয় করে ২ মাসের ক্যাম্প করা হয়েছিল নারী ও পুরুষ দলের। এবারও বিদেশে ক্যাম্প করার পরিকল্পনা ফেডারেশনের।
পাশাপাশি ঢাকায় একাধিক বিদেশি দল এনে ও বিদেশে গিয়ে ম্যাচ খেলা হবে জানিয়েছেন কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান।
১৯৯০ বেইজিং এশিয়ান গেমসে কাবাডি অন্তর্ভুক্ত হলে সে আসরে রুপা জিতেছিল বাংলাদেশ পুরুষ দল। সেটি ধরে রাখে ১৯৯৪ হিরোশিমা ও ২০০২ বুসান এশিয়াডেও।
তবে মাঝে ১৯৯৮ ব্যাংকক ও সর্বশেষ ২০০৬ সালে দোহায় ব্রোঞ্জ পদক জিতে। এরপর ২০১০ গুয়াংজু, ২০১৪ ইনচন ও ২০১৮ জাকার্তা- টানা তিন এশিয়ান গেমসে পদক শূন্য ছেলেরা। মেয়েরা ২০১০ ও ২০১৪ আসরে ব্রোঞ্জ জিতলেও জাকার্তায় ফিরেছে পদকশূন্য হয়ে। নারী দলের ক্যাম্প শুরু হবে সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে।
