সংক্রমণ বাড়ছে অস্ট্রেলিয়ায়

আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০২১, ০১:৫৯ এএম

করোনার ডেল্টা ধরন ছড়িয়ে পড়ার পর অস্ট্রেলিয়ায় মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে। সংক্রমণ নতুন করে বৃদ্ধি পাওয়ায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছে ওশেনিয়ার এই দেশ। বাংলাদেশ সময় গতকাল সোমবার দেশটির নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১ হাজার ২৯০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। মহামারী শুরুর পর থেকে এ পযন্ত অস্ট্রেলিয়াবাসীর জন্য সবচেয়ে খারাপ সংখ্যা এটি। এমন পরিস্থিতিতে আগামী মাসে রাজ্যটির হাসপাতালগুলোতে সর্বোচ্চসংখ্যক রোগীকে আইসিইউতে নেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গতকাল রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অথচ করোনা নিয়ন্ত্রণে এর আগে অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় বেশ ভালো অবস্থানেই ছিল অস্ট্রেলিয়া।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিউ সাউথ ওয়েলসের হাসপাতালগুলোতে ৮৪০ জন করোনা রোগী ভর্তি রয়েছে। তাদের মধ্যে আইসিইউতে ১৩৭ এবং ভেন্টিলেশনে ৪৮ জন ভর্তি রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৩ জনে। নিউ সাউথ ওয়েলসের ১ হাজার ২৯০ জনকে নিয়ে শেষ এক দিনে দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৭৫ জন। এ সংখ্যাও এখন পর্যন্ত দেশটিতে রেকর্ড।

জানা গেছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার দিকে নজর দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। গত সাত দিনে গড়ে ২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি ডোজ করে টিকা দেওয়া হয়েছে। আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এ পরিমাণ অনেক বেশি। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৬ বছরের বেশি বয়সের ৩৩ শতাংশ মানুষ করোনার টিকার দুই ডোজ টিকা পেয়েছে। তবুও এক সতর্কবার্তায় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, টিকা দেওয়ার হার বাড়লেও আগামী অক্টোবরে সংক্রমণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

এদিকে করোনা সংক্রমণ রোধে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে চলছে লকডাউন। পরিস্থিতি তুলনামূলক খারাপ হওয়ায় ভিক্টোরিয়া রাজ্যের মেলবোর্ন শহরে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। চার সপ্তাহ ধরে সেখানকার বাসিন্দারা বিধিনিষেধের আওতায় রয়েছে। লকডাউন চলছে নিউ সাউথ ওয়েলসেও।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত