পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩৩ পিএম

বিগত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে কৃষি খাতের অবদান অনস্বীকার্য। কৃষি অর্থনীতির অভূতপূর্ব অগ্রগতিতে খাদ্য ঘাটতির বাংলাদেশে দানাদার খাদ্যে এসেছে স্বয়ংসম্পূর্ণতা। কৃষিপণ্যের রপ্তানি ছুঁয়েছে ১০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার হিসাব মতে, বাংলাদেশ ১৩টি পণ্য বা খাতে বিশ্বের প্রথম দশের মধ্যে আছে। যেমন পাট রপ্তানিতে প্রথম; পাট, আলু, আনারস উৎপাদনে দ্বিতীয়; ভেজিটেবলস এবং মাছ উৎপাদন ও রপ্তানিতে তৃতীয়; চাল উৎপাদনে ৪র্থ; আম ও পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম। কৃষি গবেষণা ও সার বীজসহ উপাদান উপকরণ সরবরাহে ধারাবাহিকভাবে সরকারি সহায়তা; ব্র্যাক, গ্রামীণ ব্যাংকসহ বেসরকারি সংস্থাসমূহের ক্ষুদ্রঋণ ও প্রশিক্ষণ বাংলাদেশের কৃষককে তার নিজের উদ্যম উদ্যোগে কৃষি অর্থনীতির বলিষ্ঠ বিকাশে নেতৃত্ব দিতে অনুপ্রাণিত করেছে। কৃষি অর্থনীতির এই অভূতপূর্ব সাফল্য উন্মোচন, বিকাশ ও টেকসইকরণে যে ব্যবস্থাপনা মুখ্য প্রযতœ প্রদায়কের, ভিন্ন ভাষায় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে, মিথস্ক্রিয়ার মিথ রচনা করেছে সেটি হচ্ছে পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন। গ্রামীণ সড়ক (ফিডার রোড, গ্রোথ সেন্টার সংযোগ সড়ক) নির্মাণ, সেচ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা,  গ্রামীণ হাট-বাজারসহ অবকাঠামো নির্মাণের ফলে কৃষক স্বাস্থ্য-সচেতনতায়, শিক্ষাদীক্ষায়, লাগসই প্রযুক্তি ব্যবহারের দ্বারা কৃষিপণ্য উৎপাদন ও বিপণনে বিশেষভাবে উৎসাহ বোধ করেছে। বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি স্থানীয় পর্যায়ে খাদ্যে, কৃষিপণ্যে, মৎস্য উৎপাদনে, স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্বয়ম্ভরতা অর্জনের সক্ষমতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশে এই পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নের পথিকৃত হলেন প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক (১৯৪৫-২০০৮)। গত পরশু ছিল তার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। 

প্রকৌশলী, দক্ষ প্রশাসক, পল্লী উন্নয়নের রূপকার, কর্মবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ছিলেন একজন বড়মাপের সৃজনশীল মানুষ। বাংলাদেশের ‘পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন’ ভাবনায় তার দক্ষ প্রশাসনিক প্রজ্ঞা, উদ্যোগ ও উদ্যমকে কৃতজ্ঞচিত্তে দেশবাসী মনে রাখবে বহুদিন। যাতায়াত, যোগাযোগ, স্বাস্থ্যসেবা, সুপেয় পানির উৎস-আধার নির্মাণ, হাটবাজার উন্নয়নের দ্বারা অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে গতিশীলতা আনয়নে তার উদ্ভাবনী শক্তি, দৃষ্টি ও সৃজনশীল কর্মোদ্যোগ ছিল সবার কাছে প্রশংসনীয়।

সরকারি কর্মকাঠামোর মধ্যেই তিনি গড়ে তুলেছিলেন দেশের সেবা প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান ‘স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর’ বা ‘এলজিইডি’। আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংকের বিশেষ সমীক্ষায় ১৯৯৭ সালে এ সংস্থাকে ‘সরকার-অভ্যন্তরেই স্বশাসিত সফল সরকার’ বলে অভিহিত করা হয়। বিশ্বব্যাংক ‘১৯৯৪ সালে Government that works, reforming the public sector’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদনে এলজিইডি-কে বাংলাদেশের একটি সফল ও কার্যকর সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে। বিশ্বব্যাংকের উল্লিখিত রিপোর্টটি তৈরিতে সহযোগিতা করেছিলেন ড. আকবর আলি খান, ড. মসিউর রহমানসহ এদেশের নীতিনির্ধারক ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা। আর তখন থেকেই দেশ-বিদেশে এলজিইডির কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা ও গবেষণা শুরু হয়। এ প্রতিষ্ঠানটিকে প্রকৌশলী সিদ্দিক তার প্রগাঢ় প্রজ্ঞা ও দূরদৃষ্টির আল্পনায় একটি মহীরুহ সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন, যা পাবলিক সেক্টরে একটি উন্নয়ন মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

সবার সঙ্গে সখ্য ছিল তার। সরকারের সব মহল, দাতা দেশ ও গোষ্ঠী, বিশ্ব সাহায্য সংস্থা ও উন্নয়ন-ভাবনায় নিবেদিত ব্যক্তিদের তিনি বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, বাংলাদেশের মতো জনসংখ্যার ভারে ন্যুব্জ এবং ভঙ্গুর পল্লী অবকাঠামোয় গুণগত পরিবর্তন প্রয়াসে কার্যকর সাহায্য সহযোগিতার প্রকৃত পথ স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণ এবং সে লক্ষ্যে পল্লী অবকাঠামো ও প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। সংস্থা হিসেবে দেশব্যাপী এলজিইডির কর্মদক্ষতা এবং এর কার্যকারিতাকে লাগসই ও টেকসইকরণে তার একটি দূরদৃষ্টিসম্পন্ন পদক্ষেপ ও কর্মপরিকল্পনা বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। দেশের সব জেলা সদরে এলজিইডির যে প্রশাসনিক ভবন নির্মিত হয়েছে, সেখানে পরিচয় পাওয়া যায় তার টেকসই পরিকল্পনার প্রকর্ষের। চারতলা এই ভবনের মধ্যবর্তী দুটি তলায় দাপ্তরিক সংস্থাসহ শীর্ষতলায় মধ্যম মানের রেস্টহাউস, পরিদর্শনে আসা দাতা সংস্থা কিংবা সরকারি কর্মকর্তা তথা অতিথিদের প্রযোজ্য মতো আপ্যায়ন-আবাসনের ব্যবস্থা এবং এই ভবনের নিচতলায় অবধারিতভাবে রাখা হয়েছে একটি মিনি ল্যাবরেটরির ব্যবস্থা। সেখানে এলজিইডির বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের গুণমান স্থানীয়ভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার তাৎক্ষণিক সুব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। দাতা সংস্থা, সাহায্য সংগঠন, সরকারি পরিবীক্ষণ পরিদর্শন দল এ ব্যবস্থাকে অত্যন্ত গঠনমূলক ও কার্যকর হিসেবে পেয়ে থাকে। শতাব্দী-পুরনো সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের স্থানীয় কার্যালয়গুলোতে এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা নেই বা গড়ে ওঠেনি। পার্থক্য এখানেই।

‘কানেকটিং বাংলাদেশ’-শব্দটির সঙ্গে আজ এ দেশের অনেকেই পরিচিত। কিন্তু এই শব্দটিকে এদেশের আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনে সফলভাবে প্রয়োগ করেন কামরুল ইসলাম সিদ্দিক। তার উদ্যোগেই গ্রামের সঙ্গে উপজেলা, উপজেলা থেকে জেলা এবং জেলা থেকে রাজধানী পর্যন্ত সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনেন এবং এভাবে দেশকে দারিদ্র্য বিমোচনের পথে অনেকখানি এগিয়ে দিয়ে গেছেন। এদেশের সুকঠিন আমলাতান্ত্রিক জটিলতার বৃত্ত ভেঙে, সরকারের একটি ক্ষুদ্র ‘পল্লীপূর্ত কর্মসূচি সেল’-কে প্রথমে ‘স্থানীয় সরকার প্রকৌশল ব্যুরো’ (LGEB) এবং পরবর্তীকালে ‘স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর’ (LGED)-এ রূপান্তরিত করে পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে তিনি বিশাল ভূমিকা রেখে গেছেন।

তিনি নিজে ছিলেন তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারের অন্যতম প্রবক্তা। সেই ’৯০-এর দশকেই এলজিইডিতে যাবতীয় কার্যক্রমে কম্পিউটারের বহুল ব্যবহার নিশ্চিতকরণে, প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি পরিবীক্ষণে প্রযোজ্য সফটওয়্যার সংস্থাপনে ও নিত্যব্যবহারে, ডকুমেন্টেশন ব্যবস্থাপনায় তার অত্যন্ত আধুনিক কর্মকুশলতার পরিচয় পাওয়া যায়। সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে এলজিইডির ওয়েব পেইজটি সম্ভবত সুপ্রাচীন। সেই নব্বইয়ের দশকে আমি যখন জাপানে, তখনো ই-মেইলে আমি এলজিইডি থেকে তার পাঠানো ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা ও কার্ড পেয়েছি। সে সময়েই তিনি এলজিইডিকে পুরোপুরি আইটি বেইজড প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চেয়েছিলেন।

‘ডিজিটাল’ শব্দটির সঙ্গে বাংলাদেশের অনেকেই আজ পরিচিত। এদেশের ডিজিটাল টেকনোলজির যাত্রা শুরু হয় কামরুল ইসলাম সিদ্দিকের হাত দিয়ে ১৯৯০-এর দশকেই। উন্নয়ন পরিকল্পনার শর্ত হিসেবে, দেশে যেকোনো স্থাপনা বা অবকাঠামো তৈরির প্রয়োজনীয়তাকে সহজতর করার জন্য জিআইএস (Geographical Information System)  চালু করে তিনি ১৯৯০-এর দশকে এদেশের প্রযুক্তিতে আনেন যুগান্তকারী বিপ্লব। নদী-নালা, খাল-বিল, সড়ক-জনপথসহ সকল বিষয়ে সচিত্র তথ্যসমৃদ্ধ ডিজিটাল বেইজ মানচিত্রের মাধ্যমে সারা দেশকে উপস্থাপন করে তিনি প্রযুক্তির মহাসড়কে বাংলাদেশকে নিয়ে যান। তিনি প্রমাণ করে দেখালেন, রাজধানী থেকে সহজেই, দেশের যেকোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয় করে, সেখানকার উন্নয়ন পরিকল্পনা করা সম্ভব। আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি দ্বারা যে কয়েকটি সরকারি দপ্তর অফিস ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি প্রবর্তন করেছিল, এলজিইডি তাদের অন্যতম। বাংলাদেশ আজ খাদ্য উৎপাদনে স্বনির্ভর অথচ স্বাধীনতা-উত্তরকালে এদেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল একটি নিয়মিত ব্যাপার। প্রতিবছর খাদ্যের চাহিদা মেটাতে সরকারকে বিদেশ থেকে প্রচুর খাদ্যশস্য আমদানি করতে হতো। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার উল্লেখযোগ্য অংশই ব্যয় হতো খাদ্য আমদানিতে। কিন্তু স্বাধীনতার পাঁচ দশক পর বাংলাদেশের আজকের খাদ্য পরিস্থিতির চিত্রটা সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। একসময় কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের উৎপাদন ব্যবস্থা ছিল অনেকটাই প্রকৃতির দাক্ষিণ্য কিংবা ব্যয়বহুল সেচব্যবস্থানির্ভর। ফলে কৃষকের স্বাভাবিক উৎপাদনকর্ম প্রায়শই সেচের পানির অভাবে বিঘিœত হতো। কামরুল ইসলাম সিদ্দিক এই সমস্যা নিরসনে শুল্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ করে চাষের জন্য রাবার ড্যাম (Rubber Dam) প্রকল্প চালু করেন। ১৯৯৫ সালে চীন সরকারের কারিগরি সহায়তায় কক্সবাজার জেলায় দুটি রাবার ড্যাম পাইলট প্রকল্প চালু করে এলজিইডি। পরবর্তীকালে রাবার ড্যাম প্রকল্পকে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স বাংলাদেশের কৃষকের জীবনভেলা হিসেবে অভিহিত করে। রয়টার্সের তৎকালীন এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘রাবার ড্যাম কর্মসূচির কারণে বাংলাদেশের ১৩ কোটি মানুষের প্রধান খাদ্য চালের উৎপাদন ২০০৩ সালে ২.৫ কোটি টনে উন্নীত হয়েছে, অথচ এ প্রকল্পের পূর্বে দেশে চালের সর্বোচ্চ উৎপাদন ছিল ২ কোটি টন।’

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান হিসেবে প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিকের প্রণীত উন্নয়ন পরিকল্পনা ও তৎপরতা আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে। বিশেষ করে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, জাইকা, জেবিক, কেএফডব্লিউ, সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফান্ড, ওপেক, ইউএসএইড, সিডা, ড্যানিডা প্রভৃতি উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান তার প্রস্তাবিত প্রকল্পে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। ১৯৯৬ সাল থেকে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের  সহযোগিতায় ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প দেশের পানিসম্পদ উন্নয়ন ও তার ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করে খাদ্য চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে বিরাট ভূমিকা রেখে চলেছে। জাইকার সাহায্যপুষ্ট আদর্শ গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের (MRDP) মাধ্যমে গ্রামীণ রাস্তা, সেতু, সেচ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, প্রাথমিক বিদ্যালয়, সমাজ উন্নয়ন ও সমবায় ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণ এবং জরুরি দুর্যোগ প্রমশন কর্মসূচির আওতায় বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণেও কামরুল ইসলাম সিদ্দিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। দেশের ইউনিয়ন পরিষদগুলোকে পল্লী প্রশাসনের ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টারে রূপান্তরের কর্মসূচিও কামরুল ইসলাম সিদ্দিক শুরু করেন। ইউনিয়ন পরিষদগুলো আজ আর শুধুমাত্র নাগরিক সনদপত্র দেওয়ার প্রতিষ্ঠান নয়। বিশাল অফিস কমপ্লেক্স, তথ্য-প্রযুক্তির সুবিধা আর জনবল নিয়ে তা স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। আজ সারা দেশের পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনগুলোতে যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (Waste Management) দেখা যাচ্ছে, তাও করা হয় এলজিডিইর মাধ্যমে। ১৯৯০-এর দশকে ময়মনসিংহ জেলার সদর পৌরসভার মাধ্যমে এই কর্মসূচি যাত্রা শুরু করে আজ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

করোনাকালে বাংলাদেশসহ বিশ্বময় বর্তমান মন্দা পরিস্থিতি নিয়ে যেখানে পৃথিবীর উন্নত রাষ্ট্রগুলোর নাকাল অবস্থা, তারা তাদের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পারা নিয়ে শঙ্কিত, সেখানে বাংলাদেশের অর্থনীতির গতি ক্রমঅগ্রসরমাণ। পল্লী অবকাঠামোর উল্লিখিত উন্নয়নের জন্যই অর্থনীতিতে যে সহনশীল শক্তি (রেজিলিয়েন্ট পাওয়ার) সঞ্চারিত হয়েছে, তাতেই এটা সম্ভব হয়েছে বা হচ্ছে।

লেখক সরকারের সাবেক সচিব

এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত