দেশে বর্তমানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশই গ্রামীণ এলাকার বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। তিনি বলেন, গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ টিকা নেননি। তাই গ্রামে মৃত্যুর সংখ্যাও বেশি। আক্রান্ত হওয়ার পর অনেকে দেরিতে হাসপাতালে এসেছেন। এটাও বেশি মৃত্যুর আরেকটি কারণ। গতকাল শুক্রবার সকালে পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের বার্ষিক সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
স্বাস্থ্যের ডিজি বলেন, মানুষের ধারণা ছিল, স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা ভালো না। তাই তারা জেলা হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কেন্দ্রীয় হাসপাতালে ভিড় করেন। করোনা মোকাবিলায় উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালেও এখন সেন্ট্রাল অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। খুরশীদ আলম বলেন, করোনা ভবিষ্যতে কোন পর্যায়ে যাবে আমরা কেউই জানি না। তবে আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা আগেও রোগীদের পাশে ছিলেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন।
সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেছেন ২৪ কোটি টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সবাইকে টিকা দিতে পারলে আশা করছি শিগগিরই করোনা মোকাবিলা সহজ হবে।
পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মুনির হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সরকারের কভিডবিষয়ক কারিগরি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা, বিশিষ্ট চিকিৎসাবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. বরদন জং রানা, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আবু জামিল ফয়সাল প্রমুখ।
