সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশ কোচ রাসেল ডমিঙ্গো বলেছিলেন, প্রথম চার ম্যাচে উইকেট কিপিং ভাগাভাগি করে করবেন নুরুল হাসান সোহান ও মুশফিকুর রহিম। প্রথম দুই ম্যাচে সোহান ও পরের দুই ম্যাচে মুশফিকের কিপিং করার কথা জানিয়েছিলেন ডমিঙ্গো।
কিন্তু আগের দুই ম্যাচের মতো রবিবারও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে কিপিং গ্লাভস হাতে ছিলেন সোহান। যা সবাইকে খানিক বিস্মিতই করেছে।
ম্যাচ শেষে রাসেল ডমিঙ্গো এর কারণ জানাতে গিয়ে বললেন, মুশফিক এখন টি-টোয়েন্টিতে কিপিং করতে চাচ্ছেন না। তাই আপাতত কিপিংয়ে দলের পরিকল্পনায় সোহান ও লিটন দাস।
ডমিঙ্গো বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মুশফিকের সঙ্গে আমি কথা বলেছিলাম, দ্বিতীয় ম্যাচের পর ওর কিপিং করার কথা ছিল। কিন্তু মুশফিক আমাকে বলেছে, সে সম্ভবত টি-টোয়েন্টিতে আর কিপিং করতে চায় না।’
সোহান জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে নিয়মিত উইকেট কিপিং করছেন। ওই সফরে শুধু টেস্ট খেলেই পারিবারিক কারণে দেশে ফিরে এসেছিলেন মুশফিক। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও মুশফিক ছিলেন না। আরেক উইকেট কিপার লিটন দাসও ছিলেন না অজিদের বিপক্ষে। ২৭ বছর বয়সী সোহান অবশ্য দুর্দান্ত পারফর্ম করেন গ্লাভস হাতে। লোয়ার অর্ডারে ব্যাট হাতেও দলের চাহিদা মেটান।
নিউজিল্যান্ড সিরিজে মুশফিক ও লিটন দুজনেই ফেরায় উইকেট কিপিং নিয়ে তৈরি হয় কৌতূহল। যে প্রেক্ষিতে সিরিজ শুরুর আগে সোহান ও মুশফিকের মধ্যে কিপিং ভাগাভাগির কথা জানিয়েছিলেন ডামিঙ্গো। লিটন এই পরিকল্পনার বাইরে ছিলেন।
তবে সোহান ও মুশফিকের মধ্যে কিপিং ভাগাভাগির বিষয়ে ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনা নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়। সেই সমালোচনা যেন মুশফিক নিজে থেকেই থামিয়ে দিলেন এবার।
ডমিঙ্গো বলেন, ‘আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আমার মনে হয় না, মুশফিকের আর এই সংস্করণে কিপিং করার প্রবল ইচ্ছা আছে। এই সিরিজে তাই সোহান ও সম্ভবত লিটনের দিকেই এই দায়িত্ব পালনের জন্য মনোযোগ দিতে হবে আমাদের।’
