পরওয়ারসহ ৯ জামায়াত নেতা চার দিনের রিমান্ডে

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:০৬ এএম

রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ দলটির নয় নেতাকর্মীর প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ওই মামলায় রিমান্ডে নেওয়া অন্য আসামিরা হলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য আবদুর রব, অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, মোবারক হোসাইন, সুরা সদস্য ইয়াসিন আরাফাত, সেক্রেটারি জেনারেলের গাড়িচালক মনিরুল ইসলাম ও সংগঠনটির কর্মী আব্দুল কালাম। গত সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশের একটি দল ভাটারা থানা এলাকার একটি বাসা থেকে ওই নয়জনকে গ্রেপ্তার করে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের কর্মী ও আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আমিনুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে ভাটারা থানায় হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু, বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর রোমান ও বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করেন। শুনানিতে তারা বলেন, ‘এরা জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিকে সুসংগঠিত করার নামে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার পাশাপাশি নাশকতার ঘটনা ঘটানোর চেষ্টায় লিপ্ত। আসামিরা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা বিঘিœত ও শেখ হাসিনার সরকারকে অবৈধভাবে উৎখাতের জন্য গোপন বৈঠক করছিলেন। এ সময় তাদের আটক করা হয়। তাই তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়ে আরও তথ্য-উপাত্ত উদ্ধার ও মামলার তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের হেফাজতে পাঠানোর আদেশ প্রার্থনা করছি।’

অন্যদিকে আসামিপক্ষে আব্দুর রাজ্জাক, গোলাম রহমান ভূঁইয়া ও শিশির মনিরসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড আবেদন প্রত্যাখ্যান করে আসামিদের জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন হারানো জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত সোমবার সন্ধ্যার দিকে তারা একটি বাসায় গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। বৈঠকে তারা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত