শুরুতেই দুই ওপেনারকে তুলে নিয়ে নিউজিল্যান্ডকে চাপে রেখেছিলেন নাসুম আহমেদ। সেই চাপ কাটানোর চেষ্টায় যখন সফরকারীরা, তখনো নাসুমের জোড়া আঘাত। মোস্তাফিজুর রহমান তো বরাবরের মতোই দুর্দান্ত। উইল ইয়ংয়ের লড়াই সত্ত্বেও কার্যত নাসুম-ফিজের তোপে নিউজিল্যান্ড পারল না চ্যালেঞ্জিং পুঁজি গড়তে।
বুধবার পাঁচ ম্যাচ সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ৯৪ রানের লক্ষ্য দিতে পেরেছে কিউইরা।
শেষ ওভারে মোস্তাফিজের শিকার হওয়ার আগে ইয়ং খেলেছেন ৪৬ রানের ইনিংস। তার ৪৮ বলে ১ ছক্কা ও ৫ চারে সাজানো ইনিংসেই ১৯.৩ ওভারে ৯৩ রান করতে পেরেছে নিউজিল্যান্ড।
বাংলাদেশের পক্ষে নাসুম ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান খরচায় নিয়েছেন ৪ উইকেট। মোস্তাফিজ ৩.৩ ওভারে ১২ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন। অন্য দুই উইকেট ভাগ করে নিয়েছেন মেহেদি হাসান ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ এই ম্যাচ জিতলেই সিরিজ নিশ্চিত করবে।
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এদিন বোলিং শুরু করান নাসুমকে দিয়ে। টস জিতে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ড প্রথম ওভারেই হারায় উইকেট। স্কোর বোর্ডে কোনো রান যোগ না হতেই ফিরে যান রাচিন রবীন্দ্র (০)। তাকে সাইফউদ্দিনের হাতে ক্যাচে পরিণত করেন নাসুম। উইকেট মেডেন ছিল ওভারটি।
পরের ওভারে সাকিব আল হাসান ১০ রান খরচ করেন। তাকে ছক্কাও হাঁকান ফিল অ্যালেন। তবে নাসুম ফিরেই তুলে এই অ্যালেনকে (৮ বলে ১২)।
এরপর টম ল্যাথাম ও উইল ইয়ংয়ের জুটি গড়ার চেষ্টা। ভালোই এগোচ্ছিলেন দুজন। তবে ১১তম ওভারে ২১ রান করা ল্যাথামকে ফিরিয়ে ৩৫ রানের জুটি ভাঙেন মেহেদি।
১২তম ওভারে পর পর দুই বলে হেনরি নিকোলস (১) ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমকে (০) তুলে নেন নাসুম। তাতে ব্যাকফুটে চলে যায় কিউইরা।
ইয়ং লড়াই করলেও সেটি কাজে আসেনি। কারণ অন্য প্রান্তে কেউ দাঁড়াতে পারেনি। ১৬তম ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নেওয়ার পর শেষ ওভারে পর পর দুই বলে উইকেট নেন মোস্তাফিজ।
