কৃষি খাতের উৎকর্ষ সাধনে ডাচ অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আহ্বান

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:০৫ এএম

কৃষি খাতের উৎকর্ষ সাধনে ডাচ অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডসের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত অ্যানে ভেন লিওভেন বলেছেন, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বেশ সন্তোষজনক অবস্থানে রয়েছে, তবে সেটাকে আরও উন্নীত করতে হলে দু’দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যকার যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি করতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশ সরকার গৃহীত ‘ডেল্টা প্ল্যান’-এর কার্যকর বাস্তবায়নে ভবিষ্যতে বৃহৎ বিনিয়োগ প্রয়োজন।

গতকাল বুধবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি রিজওয়ান রাহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডসের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত অ্যানে ভেন লিওভেন ডিসিসিআইতে সাক্ষাৎ করে এসব কথা বলেন। এ সময় ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি এন কে এ মবিন এফসিএস এফসিএ এবং সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, স্থানীয় জনগণের চাহিদা মেটাতে বিশেষ করে কৃষি খাতের আধুনিকায়ন খুবই জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, সারা পৃথিবীতে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে নেদারল্যান্ডসের অবস্থান দ্বিতীয় এবং বাংলাদেশ কৃষি খাতে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি ও পণ্যের বহুমুখীকরণে ডাচ উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানান।

এছাড়া বিশেষ করে বাংলাদেশে নদী পথের টেকসই উন্নয়ন, নদী শাসন, নদী খনন ও সর্বোপরি জলজ অবকাঠামো নির্মাণে ডাচ বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১.২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যেখানে বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১৩৮ মিলিয়ন এবং ১.০৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ মূলত তৈরি পোশাক, হিমায়িত মাছ এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য নেদারল্যান্ডসে রপ্তানি করে এবং বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি হারে তৈরি পোশাক ও পরিবেশবান্ধব পাট ও পাটজাত প্রভৃতি পণ্য আমদানির আহ্বান জানান।

এ ছাড়া বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নদী ব্যবস্থাপনা ও নদী শাসন, ডিজিটাল শিল্প খাত এবং সমুদ্র অর্থনীতি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় হিসেবে উল্লেখ করে এ খাতগুলোয় বিনিয়াগের জন্য নেদারল্যান্ডসের উদ্যোক্তাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান ডিসিসিআই সভাপতি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত