অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকতে ভালোবাসি

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৩২ এএম

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর সাম্প্রতিক কাজ ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা বললেন দেশ রূপান্তরের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সুদীপ্ত সাইদ খান

১০০ পর্ব...

‘শান্তি মলম ১০ টাকা’র আগে গ্রামের কোনো সিরিয়াল করিনি। ক্যারেক্টারটা একটু ডিফরেন্ট। কাজটার রেসপন্স খুব ভালো। এই নাটকে আমার চরিত্র ‘কোহিনুর’ও বেশ জনপ্রিয়। ফেইসবুকে ছবি আপলোড দিলে দর্শকরা কোহিনুর কোহিনুর করে। ক্যারেক্টারের নাম দিয়ে এখন অভিনয়শিল্পীকে চেনার বিষয়টা তেমন দেখা যায় না। এই ক্যারেক্টার দিয়ে সেটা পাচ্ছি। মানুষজন বেশ ভালোই দেখেছে। আমি শুরুতে বুঝিনি, এটা এত জনপ্রিয় হবে। নাটকটা শুরু করার আগে আমার দুটি ক্যারেক্টার করার অপশন ছিল। আমাকে বলা হয়েছিল এই নাটকের ওই দুই চরিত্রের মধ্যে যেটা আমি করতে চাই, সেটাই করতে পারব। আমি অন্যটা করতে চেয়েছিলাম। পরে ডিরেক্টর বলল, কোহিনুর ক্যারেক্টারটাতে অভিনয়ের সুযোগ বেশি, চরিত্রটাও অন্য রকম। তার কথায় কোহিনুর চরিত্রটা করেছি। রেসপন্স ভালো পাচ্ছি।

ওটিটি...

ওটিটির জন্য কয়েকটা জায়গায় কথা হচ্ছে। এই মুহূর্তে কিছু বলতে পারছি না। এখনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। তবে শিগগির ওটিটিতে কাজ করবো।

টিভি না ইউটিউব...

টেলিভিশন থেকে একেবারেই যে রেসপন্স পাই না, তা বললে ভুল হবে। টেলিভিশন থেকেও রেসপন্স পাই। তরুণরা ইউটিউবে নাটক বেশি দেখে। কিন্তু যারা বয়স্ক, তারা কিন্তু টিভিতেই দেখেন। সিনিয়র কাউকে কোনো কাজের লিংক দিলে ওনারা বলেন, কেন এটা টিভিতে দেখায় না। টিভির আবেদন তাদের কাছে এখনো রয়ে গেছে। বেসিক্যালি রেসপন্স ইউটিউবেই বেশি পাই। এখানে দর্শক সরাসরি কমেন্টস করে, লাইক, শেয়ার দেয়। তাদের মতামত জানায়। সবার সঙ্গে যেহেতু ইউটিউবের টাইম ম্যাচ করে, তাই ইউটিউবেই মানুষ বেশি দেখে।

সিনেমা...

গত বছর আমি প্রথম সিনেমার কাজ শেষ করেছি। এটা নির্মাণ করেছেন শাহনেওয়াজ কাকলী। ছবির নাম ‘ফ্রম বাংলাদেশ’। এতে ফেরদৌসী মজুমদার কাজ করেছেন। আশীষ খন্দকার আছেন। তমালিকা কর্মকার আছেন। আমার যুগল ছিলেন কলকাতার ‘রানী রাসমণি’ সিরিয়ালের নূর। পুরোপুরি ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপটের ওপর গল্পটা। এর শ্যুটিং কমপ্লিট, ডাবিং চলছে। এ বছরের শেষে বা আগামী বছরে সিনেমাটি দেখতে পারব। এতে আমার চরিত্রের নাম ভারতী। এ সিনেমায় বনেদি হিন্দু পরিবারের বউয়ের চরিত্রে কাজ করেছি।

নিজের মূল্যায়ন...

শিল্পীরা তো কখনোই কাজ করে তৃপ্তি পায় না। নতুন নতুন ক্যারেক্টার আসে, কাজ করে। যত দিন বেঁচে থাকে, তত দিনই ভালো ভালো চরিত্রে কাজ করতে চায়। দর্শক হিসেবে যদি নিজেকে মূল্যায়ন করি তাহলে আমার কাজ আমার ভালো লাগে। শেখার কোনো শেষ নেই। নিজেকে আরও ডেভেলপ করার প্রয়োজন মনে করি। কোনো অসংগতি চোখে পড়লে চেষ্টা করি সেগুলো কারেকশনের। আর অতৃপ্তি তেমন নেই। কারণ আমি অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকতে ভালোবাসি। আমার মনে হয় যতটুকু পেয়েছি, এটা আসলে অনেক কিছু।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত