আইজিপি বললেন

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের ম্যাজিক

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:১৯ এএম

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন সোনার বাংলা গড়ার। কিন্তু তাকে মাঝপথে থামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়ন করছেন। আমরা প্রধানমন্ত্রীর মাঝে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি দেখছি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের ম্যাজিক।

বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন ও সাউথ এশিয়ান চেস কাউন্সিলের সভাপতি আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ গতকাল সোমবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ড মাস্টারস দাবা প্রতিযোগিতার’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফত। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম। ফেডারেশনের সদস্য এবং দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়রা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশপ্রধান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী একটানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে দেশকে একটি অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছেন। একসময় প্যারিস কনসোর্টিয়ামে ৭২ মিলিয়ন ডলার ঋণের জন্য আমাদেরকে দেনদরবার করতে হয়েছে। এখন বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে ঋণ দিয়েছে ২০০ মিলিয়ন ডলার, সুদানকে ঋণ দিয়েছে আরও ২০০ মিলিয়ন ডলার।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০০৯ সালে ৪৫ ভাগ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করত। এখন ৯ ভাগ মানুষ দারিদ্র্যসীমার মধ্যে বসবাস করছে। একসময় আমরা বলতাম বিদ্যুৎ আসবে কখন, এখন আমরা সেই কথা ভুলে গেছি। একসময় বাংলাদেশ ছিল বঞ্চনার দেশ, বাংলাদেশ ছিল রোগ-শোকের দেশ। প্রধানমন্ত্রীর দুঃসাহস, প্রজ্ঞা ও দুর্দমনীয় নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ। দেশবাসী কৃতজ্ঞ।’

ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে যেখানে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের অর্থনীতি ধসে পড়েছে সেখানে বাংলাদেশের জিডিপি ৬ ভাগ। করোনা না আসলে জিডিপির হার আরও বাড়ত। আজ দেশ খাদ্যে উদ্বৃত্ত। বাঘা বাঘা অর্থনীতিবিদদের মুখে ছাই দিয়ে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের ম্যাজিক ফিগারের দেশ হয়েছে।’

আইজিপি বলেন, ‘এমন একজন মহীয়সী নারী প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। বাংলাদেশে তিনটি বড় খেলার কথা বললে দাবার কথা বলতে হয়। আগামী বছর থেকে নতুন এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজতে স্কুল পর্যায়ে দাবা প্রতিযোগিতা শুরু করব। আমরা প্রথমবারের মতো জেলা পর্যায়ে দাবা লিগের আয়োজন করতে পেরেছি। আমরা এ বছর আরও তিন থেকে চারটি চ্যাম্পিয়নশিপের ব্যবস্থা করেছি। অক্টোবরে আমরা শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আরও বড় পরিসরে একটি দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে চাই।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত