রাস্তার পাশের ৫ টাকার চা এখন বিক্রি হচ্ছে আট টাকায়

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩৯ পিএম

রাস্তার পাশের টং দোকানে কিছুদিন আগেও এক কাপ চায়ের দাম ছিল পাঁচ টাকা। এখন তা কোথাও কোথাও তিন টাকা পর্যন্ত বেড়ে আট টাকা হয়েছে। 

দোকানিরা জানান, কেজিপ্রতি চিনির দাম বেড়ে হয়েছে ৮০-৯০ টাকা। কনডেন্সড মিল্কের দাম বৃদ্ধি পেয়ে তা পৌঁছেছে ৮০-৮৫ টাকায়। এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয়েছে ১১৫০ টাকা।

তারা জানান, ১০০ কাপ দুধ-চা তৈরিতে লাগে ৪ কন্টেইনার কনডেন্সড মিল্ক। যার মূল্য প্রায় ৩২০-৩৩০ টাকা, ১.২৫ কেজি চিনি যার দাম ১০০ টাকার বেশি, ৪০০ গ্রাম চাপাতার দাম ১৬০ টাকা এবং জ্বালানি আনুমানিক ৫০ টাকার। এই হিসেবে এক কাপ চা তৈরির সর্বনিম্ন খরচ ৬ টাকার বেশি। 

ব্যবসায়ী ফুয়াদ হাসান বলেন, কনডেন্সড মিল্কের দাম বেড়েছে মূলত পাম অয়েলের দাম বৃদ্ধির কারণে। পামোলিন ফ্যাট, চিনি, স্কিমড মিল্ক এবং অন্যান্য উদ্ভিজ্জ-চর্বি এই দুধের মূল কাঁচামাল। 

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে খুচরায় চিনি বিক্রি হয় প্রতি কেজি ৭৮ টাকা থেকে ৮০ টাকায়। আর প্যাকেটের সাদা চিনি প্রতিকেজি ৮০ টাকা, লাল চিনি বা আখের চিনি প্রতিকেজি ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সরকার কিছু দিন আগে সরকার চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৭৪-৭৫ টাকা কেজি নির্ধারণ করে। তবে পুরান ঢাকার মৌলভী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ গোলাম মাওলা অভিযোগ করলেন, সরকার চিনির দাম নির্ধারণ করে দিলেও মিল মালিকরা সেটা ‘মানেন না’।

তিনি বলেন, আমরা প্রতি কেজি চিনি ৭৫ টাকা করে মিল গেইট থেকে চিনি কিনছি। তাহলে সেই চিনি এর চেয়ে কম দামে বিক্রি করব কীভাবে? মন্ত্রণালয় তো খুচরায় ৭৫ টাকা দাম নির্ধারণ করে দিল। সরকার দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার পর মিলগুলো সেই দামে কোনো পণ্যই বিক্রি করেনি। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত