চলতি মাসে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৪৭ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯৪ জন। এর আগের দুই দিনে ৩৫৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ১৪৩ জন এবং ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ৫১ জন ভর্তি হয়েছে। তবে এ সময় কারও মৃত্যু হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছে ৯৫৫ জন। তাদের মধ্যে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে ৭৫৭ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৯৭ জন। চলতি বছর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছে ১৮ হাজার ৭৪৪ জন ডেঙ্গু রোগী। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৭ হাজার ৭২১ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে শূন্য থেকে ১ বছরের মধ্যে শূন্য দশমিক ৮ শতংশ, ১ থেকে ১০ বছরের মধ্যে ২০ দশমিক ৭ শতাংশ, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ২৬ দশমিক ৪ শতাংশ, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১৫ দশমিক ৭ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৯ দশমিক ১ শতাংশ, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ৫ শতাংশ রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দেশে ডেঙ্গুতে আগস্ট মাসে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৬৯৮ জন। সেপ্টেম্বরে ভর্তি হয়েছে ৭ হাজার ৮৪১ জন। এর আগে জুলাই মাসে ২ হাজার ২৪৬ জন, জুন মাসে ২৭২ জন, মে মাসে ৪৩ জন, এপ্রিলে ৩ জন, মার্চ মাসে ১৩ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৯ জন, জানুয়ারিতে ৩২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাছাড়া এ বছরের প্রথম ৬ মাসে ডেঙ্গুতে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। জুলাই থেকে রোগী বাড়ার পাশাপাশি মৃত্যুর ঘটনা শুরু হয়। গত আড়াই মাসেই ৬৮ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরে ২২ জন, আগস্টে ৩৪ জন ও জুলাইয়ে ১২ জন মারা গেছে।
