বিশ্বে ৫০% স্কুলে চলছে সরাসরি পাঠদান

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৪ এএম

করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে ১৯ মাস পর বিশ্বের নানা দেশে স্কুলে পাঠদান শুরু হয়েছে। তবে পুরোপুরি ক্লাস শুরু হয়নি। মাত্র ৫০ শতাংশ স্কুলে নতুন করে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হয়েছে। বাকিদের মধ্যে প্রায় ৩৪ শতাংশ দেশ শিক্ষা কার্যক্রম মিশ্র পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে চালাচ্ছে। গ্লোবাল এডুকেশনের এক জরিপে এসব কথা বলা হয়েছে। জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্বব্যাংক ও ইউনিসেফ এ জরিপ চালায়। কভিড-১৯ পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা ও বিভিন্ন কার্যক্রম চালানোর জন্য দুই শতাধিক দেশকে সহযোগিতার লক্ষ্যে এ জরিপ চালানো হয়।

১৯ মাস আগে শুরু হওয়া করোনা মহামারীর কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ স্কুলগুলো বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়। তবে পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে ওঠার পর অনেক দেশই তাদের স্কুলগুলো খুলে দিয়েছে। জরিপের তথ্য অনুযায়ী গ্লোবাল এডুকেশন বলছে, বিশ্বজুড়ে ৮০ শতাংশ স্কুলে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে ৫৪ শতাংশ স্কুলে শিক্ষার্থীরা সশরীর ক্লাস করছে, ৩৪ শতাংশ স্কুলে মিশ্র ধারার শিক্ষাপদ্ধতিতে চলছে। ১০ শতাংশ স্কুলে চলছে দূরবর্তী শিক্ষা কার্যক্রম। আর ২ শতাংশ স্কুলে কোনো ধরনের পাঠদানই চলছে না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ৫৩ শতাংশ দেশ শিক্ষকদের টিকাদানকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের শিক্ষাবিষয়ক কমিটি সুপারিশ করে বলছে, স্কুলে সশরীর ক্লাস শুরুর আগে দেশের জনগণ ও স্কুলের কর্মীদের পুরোপুরি টিকাদানের কাজ শেষ করতে হবে। সুপারিশে বলা হয়, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতের মধ্য দিয়ে টিকা ছাড়াই নিরাপদে স্কুল খোলার সুযোগ থাকলেও শিক্ষা খাতকে আবারও জাগিয়ে তুলতে যতটা সম্ভব শিক্ষকদের টিকাদানে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিশ্বজুড়ে স্কুলগুলোতে সশরীর পাঠদান চলছে। মাস্ক পরা, ভেন্টিলেশন পদ্ধতি, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো সাধারণ ও তুলনামূলক কিছু সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কৌশল ব্যবহার করেছে স্কুলগুলো। বেশির ভাগ দেশই তাদের বিস্তৃত এলাকার স্কুলকে সহসাই টিকা কর্মসূচির আওতায় আনতে পারবে না। আর সব কর্মীকে টিকার আওতায় না আনা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে সংক্রমণের ঝুঁকি হয়তো সামান্যই কমবে, তবে শিশুদের জন্য তা বড় ক্ষতির কারণ হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত