বছরে মোবাইল বর্জ্য থেকে ৪ হাজার কোটি টাকার সোনা

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৪৩ পিএম

মোবাইল ফোনে তৈরির সময় সোনা, রুপা, তামা ব্যবহৃত হয় বলে জানা যায়। সোনা বিদ্যুতের সুপরিবাহী হওয়ায় এর ক্ষয় হয় না, মরচে ধরে না। এ কারণে মোবাইল ফোনের ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি) বোর্ডের ছোট্ট কানেক্টারগুলোতে সোনা ব্যবহৃত হয়। তবে তা পরিমাণে খুবই কম।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, অনেক নষ্ট মোবাইল ফোন থেকে অল্প অল্প করে বড় পরিমাণে সোনা সংগ্রহ করে অনেক প্রতিষ্ঠান করেছে কোটি কোটি টাকা আয়।

মোবাইল ফোন সংশ্লিষ্ট এক হিসেব বলছে, এক একটি মোবাইল ফোনে ৩৪ থেকে ৫০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত সোনা থাকে। তবে, যে হারে মোবাইল বর্জ্য বাড়ছে তাতে সংগৃহীত সোনার পরিমাণ অনেক। আবর্জনা থেকে সোনার মতো দামি ধাতু বের করার ব্যবসাও চলছে রমরমা। আরেক হিসেব বলছে, ৪১টি মোবাইল ফোন থেকেই ১ গ্রাম সোনা পাওয়া যায়। বিশ্বে প্রতি বছর বাতিল মোবাইল ফোন থেকে চার হাজার কোটি টাকার সোনা পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য, মোবাইল ফোনে সোনা ব্যবহারের প্রধান কারণ এই ধাতু ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী। সোনা ছাড়া আর দুই ধাতু বিদ্যুতের সুপরিবাহী। রুপা এবং তামা। ফোনে সোনার কানেক্টরগুলো ডিজিটাল ডেটা দ্রুত এবং যথাযথ স্থানান্তর করার জন্যও ব্যবহৃত হয়। মোবাইল ফোনের মতো, সোনা কম্পিউটার ও ল্যাপটপের আইসিগুলোতেও ব্যবহৃত হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত