প্রশ্নপত্র ফাঁস করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর জেলের বিধান রেখে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন আইন, ২০২১-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
এদিকে দেশে ই-কমার্সের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে নিবন্ধনের আওতায় এনে মনিটরিং করা হবে এবং ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে কেনাবেচার ক্ষেত্রে নিবন্ধিত গেটওয়ের মাধ্যমে লেনদেন করতে হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। গতকাল মন্ত্রিপরিষদ সভা শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘ই-কমার্স বন্ধ করা যাবে না। সুতরাং এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন ও মনিটরিংয়ের আওতায় আনার ব্যবস্থা করছি। আশা করছি, দেড়-দুই মাসের মধ্যে ভালো একটা অগ্রগতি হবে।’
মন্ত্রিসভা বৈঠকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষ থেকে এতে যুক্ত হন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা।
ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বৈঠকে আলোচ্যসূচির বাইরে ই-কমার্স নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ই-কমার্সের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে নিবন্ধিত করে তাদের মনিটরিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর প্রক্রিয়া ও কীভাবে তা করা হবে সেসব নিয়ে মোটামুটি আলোচনা হয়েছে।’
জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘পাঁচ লাখ টাকার মোটরবাইক আড়াই লাখ টাকায় দেওয়ার প্রস্তাব পেয়েই ঝাঁপিয়ে পড়ব এবং আড়াই লাখ টাকা জমা দিয়ে দেব? আমার নিজেরও তো একটা বিচার-বিবেচনা থাকা দরকার যে, পাঁচ লাখ টাকার জিনিস কীভাবে আমাকে আড়াই লাখ টাকায় দেবে? সুতরাং জনগণকে সচেতন হতে হবে।’
ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ই-কমার্স সংক্রান্ত যেসব বিষয় রয়েছে সেগুলো নিয়ে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদের পক্ষ থেকে কয়েক দিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সভাপতিত্বে বৈঠক হয়েছে। এতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতির দায়িত্ব দিয়ে একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। তারা এক মাস সময় পেয়েছেন। আগামী ২০ দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দেওয়ার কথা।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন ‘এ বিষয়ে সব ইন্টেলিজেন্স, এফআইইউ, বাংলাদেশ ব্যাংক, এনটিএমএসি সবাইকে নিয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করেছি। দুই-আড়াই মাস কিন্তু একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে।’
‘ই-কমার্সে যুক্তদের নিবন্ধন-মনিটরিং করা হবে’: দেশে ই-কমার্সের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে নিবন্ধনের আওতায় এনে মনিটরিং করা হবে এবং ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে কেনাবেচার ক্ষেত্রে নিবন্ধিত গেটওয়ের মাধ্যমে লেনদেন করতে হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদের সভা শেষে ব্রিফিংয়ে সচিব বলেন, ‘ই-কমার্স বন্ধ করা যাবে না। সুতরাং এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন ও মনিটরিংয়ের আওতায় আনার ব্যবস্থা করছি। আশা করছি, দেড়-দুই মাসের মধ্যে ভালো একটা অগ্রগতি হবে।’
মন্ত্রিসভা বৈঠকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষ থেকে এতে যুক্ত হন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা।
ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বৈঠকে আলোচ্যসূচির বাইরে ই-কমার্স নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ই-কমার্সের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে নিবন্ধিত করে তাদের মনিটরিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর প্রক্রিয়া ও কীভাবে তা করা হবে, সেসব নিয়ে মোটামুটি আলোচনা হয়েছে।’
জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘পাঁচ লাখ টাকার মোটরবাইক আড়াই লাখ টাকায় দেওয়ার প্রস্তাব পেয়েই ঝাঁপিয়ে পড়ব এবং আড়াই লাখ টাকা জমা দিয়ে দেব? আমার নিজেরও তো একটা বিচার-বিবেচনা থাকা দরকার যে পাঁচ লাখ টাকার জিনিস কীভাবে আমাকে আড়াই লাখ টাকায় দেবে? সুতরাং জনগণকে সচেতন হতে হবে।’
ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ই-কমার্সসংক্রান্ত যেসব বিষয় রয়েছে, সেগুলো নিয়ে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদের পক্ষ থেকে কয়েক দিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে বৈঠক হয়েছে। এতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতির দায়িত্ব দিয়ে একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। তারা এক মাস সময় পেয়েছেন। আগামী ২০ দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দেওয়ার কথা।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এ বিষয়ে সব ইন্টেলিজেন্স, এফআইউ, বাংলাদেশ ব্যাংক, এনটিএমএসি সবাইকে নিয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করেছি। দুই-আড়াই মাস কিন্তু একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে।’
