হার্ট-অ্যাটাক করে গতকাল প্রয়াত হয়েছেন দক্ষিণী সুপারস্টার পুণীত রাজকুমার। ৪৬ বছর বয়সেই প্রিয় তারকার এমন বিদায় মানতে পারেননি ব্যাঙ্গালোর তথা পুরো কর্নাটক। তাই রাজপথে নামা ঢল ঠেকাতেই পুলিশ জারি করেছিল ‘রেড অ্যালার্ট’। হয়তো ভক্তদের এমন আবেগের প্রকাশ অন্য সিনে-তারকাও পেতে পারতেন। কিন্তু পুণীত শুধু রুপালি পর্দাতেই নন, বরং জীবন নামের আরও বড় এক পর্দায় দৃষ্টান্ত রেখে যাওয়া এক নায়ক ছিলেন। পুণীতের বাবাও কাজ করেছেন সমাজের জন্য। নিজেও ধরে রেখেছিলেন সেই ধারা।
ঠিক কী পরিমাণ দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন পুণীত? সেই সংখ্যা নিয়ে মতবিভেদ থাকলেও তার দানশীলতা ও সামাজিক অবদানের জন্য ভক্তরা তাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ভক্তরা তার অবদানগুলোর নানা পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছেন। জানা যায়, তিনি নিজে প্রতিষ্ঠা করেন ৪৫টি দাতব্য স্কুল, ২৬টি অনাথ আশ্রম, ১৬টি বৃদ্ধাশ্রম এবং ১৯টি গরুর খামার! কেবল নিজের অর্থায়নেই তিনি বহন করে চলছিলেন ১৮০০ শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার দায়িত্ব।
সিনেমাতে গানও গাইতেন পুণীত। সেই গানের জন্য পাওয়া পারিশ্রমিকের বড় একটা অংশ তিনি দান করেছেন দাতব্য কাজে। এমনকি নিজের চোখজোড়াও তিনি মৃত্যুর পর দান করে গেলেন! পুণীতের এই সব অবদান ভক্তরা স্মরণ করছেন শ্রদ্ধাভরে।
