অস্ট্রেলিয়াকে একাই উড়িয়ে দিল বাটলারের ব্যাট

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২১, ১১:০৭ পিএম

মাঠে ক্রিকেট বিশ্বের দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী, কিন্তু লড়াইটা হলো একেবারে একতরফা। বোলিং-ফিল্ডিং-ব্যাটিং; সব জায়গায় অস্ট্রেলিয়ানদের শাসন করে ৮ উইকেটের জয়ে সেমিফাইনালে যাওয়ার পথটা আরেকটু প্রশস্ত করল ইংল্যান্ড।

মিচেল স্টার্ক-জস হ্যাজলউডদের মতো পেসারদের নির্বিষ করে ৫০ বল হাতে রেখে ইংলিশদের জয় এনে দিলেন জস বাটলার। ১২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রীতিমতো ঝড় বইয়ে দিলেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান।

জনি বেয়ারস্টোকে (১৬) সঙ্গে নিয়ে দলকে পৌঁছে দিয়েছেন জয়ের বন্দরে। ওপেনিংয়ে নেমে ৩২ বলে ৫ চার ও ৫ ছয়ে অপরাজিত ৭২ রানের ইনিংস খেলেন বাটলার। তার মধ্যে পেয়েছেন এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম ফিফটি।

অ্যাডাম জাম্পার করা ইনিংসের ৯ম ওভারের দ্বিতীয় বলে ১০২ মিটার লম্বা ছক্কা মেরে ২৫ বলে ৫০ রানের ঘরে পা রাখেন তিনি। তার আগে জেসন রয়ের (২২) সঙ্গে ৬৬ রানের ওপেনিং জুটিতে জয়ের ভিতটাও গড়ে দেন বাটলার।

অবশ্য ইংলিশদের জয়ের কৃতিত্বটা দুই পেসার ক্রিস ওকস ও ক্রিস জর্ডানেরও প্রাপ্য। বোলিংয়ে এই দুই পেসার বড় পরীক্ষা নেন অজি ব্যাটসম্যানদের। 

দুবাইতে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ার-প্লে’তে স্কোরবোর্ডে ২১ রান জমা হতেই ৪ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে অধিনায়কসুলভ দায়িত্বে অজিদের শতক পেরোনো সংগ্রহ এনে দেন অ্যারন ফিঞ্চ।

বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে অধিনায়ক ইয়ন মরগান যে কোনো ভুল করেননি তা শুরুতেই বুঝিয়ে দেন ওকস ও জর্ডান। শেষদিকে তাদের সঙ্গে যোগ দেন টাইমল মিলস। ইংলিশ পেসারদের সামনে নাস্তানাবুদ অজি ব্যাটসম্যানরা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট বিসর্জন দিয়ে অলআউট হয় ১২৫ রানে। 

দুঃসময়ে অজিদের ব্যাটিং লাইন-আপটা ধরে রেখেছিলেন ওপেনার ফিঞ্চ। ৪৯ বলে ৪ চারে ৪৪ রান আসে তার ব্যাট থেকে। এছাড়া দুই ছক্কায় ২০ বলে ২০ রান করেন অ্যাস্টন অ্যাগার। ১৮ বলে ২ চারে ১৮ রান করেন উইকেটরক্ষক ম্যাথু ওয়েড।

ইংল্যান্ডের হয়ে ওকস ও মিলস দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। কৃপণ বোলিংয়ের তিন উইকেট নেন জর্ডান। ম্যাচ সেরাও হয়েছেন তিনি। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত