দেশের বিভিন্ন স্থানের নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্যের বাজারজাত করতে হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, ‘জয়িতা ফাউন্ডেশন একটি আধুনিক ধারণা। তাই এই কাজটি করতে হবে জয়িতার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। জয়িতা উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করতে হবে।’
রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দুদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জয়িতা ফাউন্ডেশন। গতকাল সোমবার অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ৩৫ জয়িতা নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি পোশাক ও খাদ্য সামগ্রীর সাতান্নটা স্টল ছিল।
এম এ মান্নান বলেন, মানোন্নয়ন করে জয়িতার পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করতে হবে।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম ও সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী রওশন আক্তার। স্বাগত বক্তব্য দেন জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা খান।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, জয়িতা ফাউন্ডেশন নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলে তাদের সম্মানজনক অবস্থান নিয়ে আসতে এ ফাউন্ডেশনকে আরও উদ্যোগী হতে হবে।
ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ ডিসেম্বর ‘জয়িতা টাওয়ার’ নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। এটি হবে দেশের নারী উদ্যোক্তাদের স্থায়ী ঠিকানা। ১২তলা বিশিষ্ট ‘জয়িতা টাওয়ার’-এর অবকাঠামোগত সুবিধা নারী উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়াবে।
