যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি রাজ্যের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে অন্তত ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। এতে আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন। টর্নেডোর আঘাতে অনেক বাড়ি-ঘর ও স্থাপনা লন্ডভন্ড হয়েছে। গত শুক্রবার ভোরের দিকে টর্নেডোর আঘাতে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে কেন্টাকির গভর্নর অ্যান্ডি বেসিয়ার জানিয়েছেন।
বেসিয়ার বলেন, ‘আমাদের কাছে টর্নেডোতে ৭০ জনের প্রাণহানির তথ্য আছে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আমরা দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ কিছু টর্নেডোর ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। এই সংখ্যা ১০০ হতে পারে। হতাহতের এই খবর সত্যিই হৃদয়বিদারক।’ রাজ্যের জরুরি ব্যবস্থাপনা পরিষেবার একজন মুখপাত্র বলেছেন, শনিবার সকাল পর্যন্ত উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা টর্নেডোর আঘাতে মৃত্যু অথবা আহতের সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারেননি।
নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, কেন্টাকির পশ্চিমাঞ্চলীয় মেফিল্ডে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন রেখে গেছে টর্নেডো। রাজ্যের গভর্নর বলেছেন, মেফিল্ড কমিউনিটি একেবারে ধ্বংস হয়ে গেছে। সেখানে একটি মোমবাতি কারখানার ছাদ ধসে পড়েছে। এতে অন্তত ১১০ জন ভেতরে আটকা পড়েছেন।
কেন্টাকিতে টর্নেডোর আঘাতের ৫৬ হাজারের বেশি মানুষ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। রাজ্যে টর্নেডোর আঘাতের পর জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বেসিয়ার বলেছেন, ‘কেন্টাকির ইতিহাসে এটি অন্যতম এক কঠিন রাত।’
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যাঞ্চলীয় কয়েকটি রাজ্যে শুক্রবার রাতে শক্তিশালী টর্নেডো আঘাত হেনেছে। এতে শত শত বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত ও অনেকেই হতাহত হয়েছেন। আরকানসাসের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নোয়া স্টর্ম প্রডিকশন সেন্টার বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি রাজ্য আরকানসাস, ইলিনয়, কেন্টাকি, মিসৌরি ও টেনেসিতে শুক্রবার অন্তত ২৪টি টর্নেডোর আঘাত হানার রেকর্ড হয়েছে।
