মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও গ্রাম থিয়েটারকে সম্মাননা

নাচের ছন্দে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:১০ পিএম

নাচ, আলোচনা ও সম্মাননা প্রদানের মধ্য দিয়ে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করেছে বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এবং বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারকে সম্মাননা জানানো হয়। পরে নৃত্যানুষ্ঠানে মুখরিত হয় পুরো আয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি সচিব মো. আবুল মনসুর। শুরুতেই প্রধান অতিথিকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করেন নৃত্যশিল্পী সংস্থার সভাপতি মিনু হক।

আলোচনা পর্বে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, শিল্পের বিভিন্ন শাখার মধ্যে প্রাচীন মাধ্যম নৃত্যকলা। সারা পৃথিবীতেই নৃত্যের ভাষা সর্বজনীন। এ জন্য ভাষার গন্ডি পেরিয়ে পৃথিবীর দেশে দেশে সাংস্কৃতিক বন্ধন তৈরি হয়েছে নৃত্যকলার মাধ্যমে। হাজার বছর আগেও নৃত্যকলা ছিল এবং হাজার বছর পরেও মানুষের সংস্কৃতিচর্চায় অংশ হয়ে থাকবে নৃত্যকলা। ভবিষ্যতে আমাদের পরিকল্পনা আছে ৬৪ জেলায় সাংস্কৃতিক উৎসব করব। সেখানেও বিশেষ অংশজুড়ে থাকবেন নৃত্যশিল্পীরা।

নৃত্যশিল্পী সংস্থার সভাপতি মিনু হক বলেন, বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আমরা দেশের দুটি বড় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনকে সম্মান জানাতে পেরে আনন্দ অনুভব করছি। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর স্বাধীনতার ইতিহাস সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা রেখে চলেছে। গ্রাম থিয়েটার সারা দেশে সাংস্কৃতিক জাগরণে ভূমিকা রেখেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত