বাংলাদেশি কর্মী নেওয়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০২২, ০১:০৩ এএম

কভিডের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় বাংলাদেশি কর্মী নেওয়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। ইপিএস (এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম) প্রোগ্রামের আওতায় গতকাল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কোরিয়ান এয়ারের চার্টার্ড ফ্লাইটে ৯২ জন বাংলাদেশি কর্মী কোরিয়ার উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন। এটি এ বছর বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকদের দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশে যাওয়া প্রথম ব্যাচ। দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।     

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার কভিড মহামারীর কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে বিদেশি কর্মী নেওয়া স্থগিত করে। প্রায় ২০ মাস বন্ধ থাকার পর গত ডিসেম্বর থেকে পুনরায় বিদেশি কর্মী নেওয়া শুরু করে। পুনরায় চালু হওয়ার পর এ পর্যন্ত মোট ২০৩ জন বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী কোরিয়ায় গেছেন। গত ডিসেম্বরে কোরিয়ায় ১১১ জন বাংলাদেশি শ্রমিক গিয়েছে। এবারের যাওয়া ৯২ জন শ্রমিকের মধ্যে ৪৪ কর্মী নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত এবং বাকিরা পুনঃপ্রবেশ কর্মী।

কোরিয়া ইপিএস (এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম) প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশ থেকে মাঝারি ও নিম্ন-দক্ষ বিদেশি কর্মী গ্রহণ করে আসছে। তবে কভিডের কারণে ২০২০ সালের মার্চে কোরিয়ান সরকার ইপিএস কর্মী গ্রহণ স্থগিত করে। প্রেরণকারী দেশগুলোর পাশাপাশি নিয়োগকর্তাদের কাছ থেকে ক্রমাগত অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে কোরিয়ান সরকার সীমিত সুযোগে এবং পর্যায়ক্রমে কোয়ারেন্টাইনসহ কঠোর কভিড সুরক্ষামূলক ব্যবস্থাসহ গত নভেম্বর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং-গুন বলেন, বাংলাদেশের ইপিএস কর্মীরা কোরিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, যা শুধু বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নই নয়, কোরিয়ান শিল্পে শ্রমশক্তি সরবরাহেও অবদান রাখছেন। তিনি বাংলাদেশি কর্মীদের পুনঃপ্রবেশকে স্বাগত জানান এবং আশা করেন যে কোরিয়া আগামী বছরগুলোতে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি ইপিএস কর্মীদের স্থান দিতে সক্ষম হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত