লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানায় হিমাংশু বর্মণ (৪০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। হিমাংশুর পরিবারের দাবি, পুলিশের নির্যাতনের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে আটক হিমাংশু আত্মহত্যা করেছে।
পুলিশ জানায়, হিমাংশু উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের পূর্ব কাদমা মালদাপাড়া এলাকায় বিশে^শ^র চন্দ্র বর্মণের ছেলে। গতকাল সকালে হিমাংশুর শোবার ঘর থেকে তার স্ত্রী সবিতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর দুপুর ১২টার দিকে হিমাংশুকে আটক করে থানায় আনা হয়। বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হিরণ¥য় বর্মণ বলেন, ‘বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে পুলিশ হিমাংশুকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। তার গলায় একটি দাগ রয়েছে।’
ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহির উদ্দিন জানান, সবিতার লাশ উদ্ধারের পর দুপুর ১২টার দিকে তার স্বামী হিমাংশুকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সন্ধ্যায় শুনতে পেরেছি তিনি মারা গেছেন।
হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলম বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে হিমাংশুর কাছে কিছু তথ্য পাওয়া যায়। এ অবস্থায় থানার নারী-শিশু হেল্প ডেস্কের কাছে তাকে রেখে অফিসাররা খেতে যায়। এ সুযোগে সেখানে থাকা ওয়াইফাইয়ের তার গলায় পেঁচিয়ে জানালার গ্রিলে ঝুলে আত্মহত্যা করে হিমাংশু।’
