পঞ্চম অধ্যায় : জীবনের জন্য খেলাধুলা
সাধারণ প্রশ্ন
১. সাঁতার কত প্রকার? সাঁতার অনুশীলনের সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়?
ভূমিকা : জীবন রক্ষা, ক্রীড়া ও আনন্দলাভের জন্য পানির ওপর ভেসে থেকে সামনে অগ্রসর হওয়াকে সাঁতার বলে। সাঁতারকে বলা হয় সর্বোৎকৃষ্ট ব্যায়াম। মানুষের জীবন রক্ষার তাগিদ থেকেই মূলত সাঁতারের উদ্ভব।
সাঁতারের প্রকারভেদ : প্রতিযোগিতামূলক সাঁতারকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন
১. মুক্ত সাঁতার
২. চিৎ সাঁতার
৩. বুক সাঁতার
৪. প্রজাপতি সাঁতার
সাঁতার অনুশীলনের সময় সতর্কতা : সাঁতার অনুশীলনের সময় অনেক সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। তা না হলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সতর্কতাসমূহ :
১. আবর্জনা ও বিপজ্জনক দ্রব্য মুক্ত করে সাঁতারের জায়গা নিরাপদ করা।
২. অল্প পানি বা অগভীর জায়গা বেছে নেওয়া।
৩. কেউ ডুবে গেলে তুলে আনতে পারে, এমন অভিজ্ঞ সাঁতারুকে কাছে রাখা।
৪. ভাসমান বস্তু কাছে রাখা।
৫. আহার বা খাবারের দেড় ঘণ্টার মধ্যে বা খালি পেটে সাঁতার অনুশীলন না করা।
৬. সম্ভব হলে লাইফ বোট বা লাইফ জ্যাকেট কাছে রাখা।
৭. লম্বা, মোটা ও শক্ত দড়ি বা বাঁশ কাছে রাখা।
৮. পোশাক পরিবর্তনের কক্ষ ও বাথরুম ঠিক আছে কি না তা দেখে নেওয়া।
৯. কফ, থুথু বাহিরে ফেলার ব্যবস্থা রাখা।
১০. নতুন অবস্থায় একা একা সাঁতার অনুশীলনে না যাওয়া।
পরিশেষে আমরা বলতে পারি অসতর্কতার কারণে যেকোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই সাঁতার শেখার ক্ষেত্রে আমরা অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করব।
