সু চির বিরুদ্ধে দুর্নীতির আরও ৫ অভিযোগ

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২২, ০২:১০ এএম

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চি ও প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টের বিরুদ্ধে নতুন আরও পাঁচটি অভিযোগ গঠন করেছে জান্তা সরকার। ক্ষমতায় থাকাকালীন একটি হেলিকপ্টার কেনার ক্ষেত্রে সম্পৃক্ততার কারণে তাদের এ অভিযোগগুলো আনা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও আলজাজিরার প্রতিবেদন মতে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সেনাবাহিনীর হাতে আটক সু চির বিরুদ্ধে আরও পাঁচ দুর্নীতির অভিযোগে বিচার চলছে। এগুলোতে তিনি অভিযুক্ত হলে এক একটিতে তার সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা গুনতে হবে।

সু চিকে এর আগে বেশ কিছু অভিযোগে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে অবৈধভাবে ওয়াকিটকি আমদানি ও নিজের কাছে রাখা এবং করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকারি বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হন তিনি।

তবে তার সমর্থক এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, গণতান্ত্রিক সরকারকে সরিয়ে সামরিক বাহিনী যেভাবে ক্ষমতা দখল করেছে তার বৈধতা প্রমাণের জন্যই সু চিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে সু চির রাজনীতিতে ফিরে আসার পথও বন্ধ করে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়। তবে সামরিক বাহিনী শুরু থেকেই এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

২০২০ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় বসে অং সান সু চি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি পার্টি। তাদের পাঁচ বছর দেশ শাসন করার কথা ছিল। কিন্তু নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ এনে বেসামরিক সরকারকে সরিয়ে দেয় সেনাবাহিনী। এরপরই দেশজুড়ে সেনাবাহিনীর বিপক্ষে ব্যাপক বিক্ষোভ-প্রতিবাদ শুরু হয়। তবে সবকিছুই কঠোর হাতে দমন করেছে জান্তা সরকার। ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৬৯ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া আরও ১১ হাজার ৫শর বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত