নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটকেন্দ্রের বাইরে তাদের উপস্থিতি বাড়ছে।
এ ছাড়া শীত উপেক্ষা করে ভোর থেকেই ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে দেখা যায়। অনেকে ফজরের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রে চলে এসেছেন। কেন্দ্রগুলোতে পুরুষদের পাশাপাশি নারী ভোটারদেরও ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হাতি মার্কার প্রতীকে স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় ভোট দেন। ওই সময় তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে। আমি লক্ষাধিক ভোটে জিতব।’
নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম সংবাদমাধ্যমকে সকালে বলেন, ‘এখনো পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রয়েছে। কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলার সংবাদ পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৫ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ৩৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন।’
রবিবার সকাল ৮টায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৩টি অঞ্চলের (শহর, বন্দর ও সিদ্ধিরগঞ্জ) ১৯২টি কেন্দ্র ভোটগ্রহণ শুরু হয় এবং তা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
এবার ভোটগ্রহণ হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মোট ওয়ার্ড ২৭টি। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সদরে ১৮টি ও বন্দর উপজেলায় ৯টি। মোট ভোটার পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ৩৬১। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৬ ও পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৫১১। ৪ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৯২টি।
মেয়র পদে লড়ছেন ৭ প্রার্থী। সংরক্ষিত ৯টি নারী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ৩৪ ও ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৪৮ জন।
মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত সেলিনা হায়াৎ আইভীর নৌকা ও তৈমূর আলমের হাতি প্রতীক নিয়ে মূল আলোচনা চলছে। মেয়র প্রার্থী হিসেবে আরও আছেন খেলাফত মজলিশের এ বি এম সিরাজুল মামুন (দেয়াল ঘড়ি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাও. মো. মাসুম বিল্লাহ (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম (ঘোড়া), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. জসীম উদ্দিন (বটগাছ) ও বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মো. রাশেদ ফেরদৌস (হাত ঘড়ি)।
